নরসিংদী সদর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল চরদিঘলদী ইউনিয়নে গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কাবিখা, কাবিটা (খাদ্যশস্য ও নগদ অর্থ) ও টিআর প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে প্রকল্পের কাজ দেখালেও বাস্তবে তার কোনো চিহ্ন নেই বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। সরেজমিন পরিদর্শনে এমন চিত্রই উঠে এসেছে।
এ অনিয়মের সঙ্গে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ও চরদিঘলদী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোসা. সেলিনা আক্তার জড়িত বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি পুনরায় সরেজমিন দেখার আহ্বান জানান এবং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তারের স্বামী আনোয়ারের সঙ্গে কথা বলতে অনুরোধ করেন।
কাজ না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা জাহান সরকারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আপনার কাছে প্রথম শোনলাম এ প্রকল্পগুলো সম্পর্কে। এর আগে আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। আমি পিআইওর সঙ্গে কথা বলে প্রকল্পগুলো দেখে ব্যবস্থা নেব।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সদর উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নে এসব প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল ৪৭ লাখ ৪ হাজার ৯৮১ টাকা, ১৪ দশমিক ৮০০ মেট্রিকটন গম এবং ১৪ দশমিক ৮০০ মেট্রিকটন চাল। প্রকল্পের পরিপত্র অনুযায়ী কাজ শুরুর আগে বাধ্যতামূলক সংশ্লিষ্ট প্রকল্প, কমিটির নাম ও বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখ করে সাইনবোর্ড স্থাপন করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বাস্তবে কোনো সাইনবোর্ড দেখা যায়নি।