পে-স্কেল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নামছেন প্রাথমিক শিক্ষকসহ সরকারি কর্মচারীরা। সরকারি কর্মচারীদের ঘোষিত শুক্রবার জাতীয় শহিদ মিনারের কর্মসূচিতে শিক্ষকরাও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।
শহিদ মিনারের কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে চূড়ান্ত লক্ষ্যে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষক নেতারা।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা বৈষম্য নিরসন ফোরামের এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন প্রবীণ শিক্ষক নেতা ও সংগঠনটির আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান এবং সদস্য সচিব মো. সামছুদ্দিন বাবুল।
বিবৃতি শিক্ষক নেতারা বলেন, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দীন আহমেদ বলেছেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য অর্থ আছে, তবে দেবে নির্বাচিত সরকার। তার এ সাংঘর্ষিক বক্তব্য শিক্ষকসহ সরকারি কর্মচারীদের ব্যথিত করেছে। সরকার সব কাজে টাকা খরচ করতে পারে, শুধু কর্মচারীদের জন্য টালবাহানা।
তারা আরো বলেন, প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের আপিল বিভাগের রায় অনুযায়ী ১০ম গ্রেড নিয়েও বৈষম্য করা হচ্ছে। সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডসহ ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। কর্মচারী ও শিক্ষক সবার সঙ্গেই চলছে টালবাহানা ও ষড়যন্ত্র।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ক্ষমতা থেকে যাওয়ার শেষ সময়েও প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন। তিনি নিজ কর্মের সমালোচনা বা করণীয় না করে প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণের সমালোচনা করে যাচ্ছেন।
প্রাথমিক শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য অধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনে নামলে শতাধিক শিক্ষক আহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক ফাতেমা বেগমকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
শিক্ষক নেতারা অপরাধ করলে অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অথচ তাদের দূর-দূরান্তে বদলি করে প্রাথমিক শিক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।
সময়ের আলো/এআর