দক্ষ সেচ ব্যবস্থাপনা গড়তে কাজ করছে বিএডিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থনীতি

বাংলাদেশ মূলত একটি কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষি এ দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এখনও দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীর জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হলো

2026-02-04T22:47:02+00:00
2026-02-04T22:47:02+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
অর্থনীতি
দক্ষ সেচ ব্যবস্থাপনা গড়তে কাজ করছে বিএডিসি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম   (ভিজিট : ১৪০)
সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ মূলত একটি কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষি এ দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এখনও দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীর জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হলো কৃষি। অন্যদিকে পরোক্ষভাবেও কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে দেশের প্রত্যেকটি মানুষের। সেই বিবেচনায় কৃষি ছাড়া সামগ্রিক উন্নয়ন কখনোই সম্ভবপর নয়। 

কৃষিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেশের কৃষি ব্যবস্থাপনার আমূল পরিবর্তন আনয়ন করার জন্য ১৯৬১ সালে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশ (বিএডিসি) এর যাত্রা শুরু হয়। উদ্দেশ্য ছিল কৃষির অত্যাবশকীয় উপকরণ যেমন : বিভিন্ন ফসলের মানসম্পন্ন বীজ, সুষম সার এবং ভূগর্ভস্থ এবং ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সেচ সুবিধাদি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এ কাজটি কৃষি মন্ত্রণালয়েরে তত্ত্বাবধানে বিএডিসি কার্যকরভাবে সম্পাদন করে যাচ্ছে। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে বিএডিসি হয়ে উঠেছে অন্যতম একটি নিবেদিত সংস্থা। 

দক্ষ সেচব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে বিএডিসির ভূমিকা অনস্বীকার্য। ষাট দশকে মাত্র ১,৫৫৫টি শক্তিচালিত পাম্পের মাধ্যমে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহারের লক্ষ্যে দেশে আধুনিক ও কৃষি যান্ত্রীকরণ ব্যবস্থার প্রচলন ঘটে। ১৯৬৭-৬৮ সালে ১০২টি গভীর নলকূপ এবং ১৯৭৩-৭৪ সালে ১৯৯৮টি অগভীর নলকূপ স্থাপন করে ভূগর্ভস্থ এবং ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার শুরু হয়। 

এরপর হতে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সেচ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চলমান রয়েছে। বিএডিসির মাধ্যমে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কার্যক্রমের মাধ্যমে সারা দেশে ২০২৪-২৫ সেচ মৌসুমে ৭.২৬ লাখ হেক্টর জমিতে প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে দুই ধরনের সেচ পদ্ধতি প্রচলিত আছে। সেচ মৌসুমে ক্ষুদ্রসেচের মাধ্যমে ৯৫ শতাংশ এবং বৃহৎ সেচের মাধ্যমে ৫ শতাংশ জমিতে সেচ প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে ভূ-উপরিস্থ পানির সাহায্যে ২৭.৯৯ শতাংশ এবং ভূ-গর্ভস্থ পানির সাহায্যে ৭২.০১ শতাংশ জমিতে সেচ সুবিধাদি প্রদান করা হচ্ছে।

বিভিন্ন ধরনের সেচ সুবিধাদির মাধ্যমে বিএডিসির এ সেচ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো খাল নালা পুনর্খনন এবং ভূ-উপরিস্থ সেচনালা ও ভূগর্ভস্থ সেচনালা (ব্যারিড পাইপ) নির্মাণ, সেচ অবকাঠামো, ফসল রক্ষা বাঁধ, ঝিরি বাঁধ নির্মাণ, বিভিন্ন ক্ষমতাসম্পন্ন গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন ও পুনর্বাসন, সৌর শক্তিচালিত সেচ পাম্প, ডাগওয়েল স্থাপন, রাবার ড্যাম নির্মাণ ইত্যাদি। বিভিন্ন চলমান প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিএডিসি সারা দেশে এ সেচ কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছে। গত এক দশকে বিএডিসির আওতায় প্রায় ১৩,৬৬৫ কিমি খাল নালা পুনর্খনন, ১৪,৬৩৭ কিমি ভূগর্ভস্থ সেচনালা নির্মাণ।




  বিষয়:   সেচ ব্যবস্থাপনা  বিএডিসি 


Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: