জাতিসংঘে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের ক্ষতিপূরণের ডিক্লেয়ারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব গৃহীত

সময়ের আলো ডেস্ক

জাতীয়

নির্যাতন ও নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে জাতিসংঘ কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর ওপর দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে বজায়

2026-02-05T15:21:51+00:00
2026-02-05T15:21:51+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
জাতীয়
জাতিসংঘে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের ক্ষতিপূরণের ডিক্লেয়ারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব গৃহীত
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২১ পিএম   (ভিজিট : ১৪০)
জাতিসংঘে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের ক্ষতিপূরণের ডিক্লেয়ারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব গৃহীত
নির্যাতন ও নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে জাতিসংঘ কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর ওপর দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে বজায় রাখা রিজার্ভেশন (আপত্তি) প্রত্যাহারের ঘোষণা জাতিসংঘে গৃহীত হয়েছে।  

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত ২৯ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে সিএটি-এর অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্লেয়ারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

১৯৮৪ সালে কনভেনশনটি গৃহীত হয় এবং  বাংলাদেশ ১৯৯৮ সালে এই চুক্তিতে অনুসমর্থন দেয়। বর্তমানে ১৭৩টি রাষ্ট্র এটি অনুসমর্থন করে।

উপদেষ্টা পরিষদ মনে করে, এই সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এতে করে মানবাধিকার সংরক্ষণে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। এটি বাংলাদেশের মানবাধিকারকর্মীদের দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের দাবি ছিল।


কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ মোট পাঁচটি রাষ্ট্র— বাহামা, ফিজি, নিউজিল্যান্ড, সামোয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে যোগদানের সময় রিজার্ভেশন প্রদান করেছিল। সেই রিজার্ভেশনের ফলে এতদিন যাবত রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায্য ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল না।

মানবাধিকার বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বাড়াতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে নির্যাতন প্রতিরোধে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

দেশের মানবাধিকার সংগঠন ও অধিকারকর্মীরা গত দুই দশক ধরে এই রিজার্ভেশন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। মানবাধিকার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সদিচ্ছার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।


/ইউএমএইচ



  বিষয়:   জাতিসংঘ  রাষ্ট্রীয় নির্যাতন  ক্ষতিপূরণের ডিক্লেয়ারেশন  প্রত্যাহার 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: