বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাজনৈতিক স্বার্থে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী অবশ্যই রাজনীতি সচেতন থাকবে, কিন্তু রাজনীতির চাদরে যেন সেনাবাহিনী আচ্ছাদিত না হয়ে যায়, সেই ব্যাাপরে সেনাবাহিনীর সতর্ক থাকতে হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর কুর্মিটোলায় সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পিলখানায় শহিদ সেনা সদস্যদের পরিবারের সঙ্গে বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতেই বিএনপির চেয়ারম্যান সেনাবাহিনী নিয়ে তার নিজস্ব স্মৃতিকাতরতা তুলে ধরেন। তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনীর মর্যাদা ও গৌরব ইস্যুতে সেনাবাহিনীকেই সজাগ থাকতে হবে।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বিগত দেড় দশকে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিজেরা নিজেদের জিজ্ঞাসা করলে অনেক উত্তর পাওয়া যাবে। সেনাবাহিনী ভিন্ন কাজে যুক্ত থাকলে মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ার পর সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় যেতে পারলে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না সেনাবাহিনীকে।
এ সময় তারেক রহমান বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর ওয়ান র্যাঙ্ক ওয়ান পে দাবিটি বিএনপির ইশতেহারেই অন্তর্ভুক্ত, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে শিগগিরই এটি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিজিবির পুরনো নাম ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিডিআর হত্যাকাণ্ড ইস্যুতে নিজ পরিকল্পনার কথাও জানান বিএনপির চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, বিএনপি দায়িত্ব পেলে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বিডিআর নামটি পুনর্বহাল করতে চাই। ক্ষমতায় গেলে বিডিআর হত্যাযজ্ঞের দিনটিকে শহিদ সেনা দিবস অথবা সেনা হত্যাযজ্ঞ দিবস অথবা জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করবে বিএনপি।
সময়ের আলো/এসকে/