জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর শেষ করলেন তার নতুন সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর শুটিং। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমাটির পরিচালনায় রয়েছেন তানিম নূর।
এই সিনেমায় সাবিলাকে দেখা যাবে অভিনেতা শরীফুল রাজের বিপরীতে। জানা গেছে, শুটিং পর্ব শেষ হওয়ার পর শিগগিরই ডাবিং শুরু হবে। আসন্ন ঈদুল ফিতরেই মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সিনেমাটির।
সিনেমাটিতে কাজ করা প্রসঙ্গে সাবিলা বলেন, ‘এই সিনেমায় আমি অনেক গুণী শিল্পীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। শুরু থেকে প্রায় প্রতিদিনই আমার শুটিং ছিল। মোশাররফ করিম ভাইয়ার সঙ্গে বেশ কিছু দৃশ্য রয়েছে। শরিফুল রাজ, মম, শ্যামলসহ আরও অনেকের সঙ্গে কাজ করেছি। পাশাপাশি এক দল নতুন শিল্পীও ছিল। আমি যেখানে কাজ করি, সেখান থেকেই শেখার চেষ্টা করি। এই প্রজেক্ট থেকে নতুন অনেক কিছু শিখেছি। পুরো বনলতা এক্সপ্রেসের জার্নিটা আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে।’
সিনেমার কাজ শেষ হওয়ার পরপরই নতুন কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। সে প্রসঙ্গে সাবিলা বলেন, ‘গোলাম মামুন’ নামে একটি ওটিটি প্রজেক্ট রয়েছে। এই ওয়েব সিরিজটির প্রথম কিস্তিতেও আমি কাজ করেছিলাম। এবার দ্বিতীয় কিস্তি নির্মিত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে এই নতুন কিস্তির গল্প হাতে পেয়েছি। আমার চরিত্রটিতে বেশ কিছু টুইস্ট ও লেয়ার আছে। এ জন্য কিছুটা ওজন বাড়াতে হবে। সেই প্রস্তুতিই নিচ্ছি। বনলতা এক্সপ্রেসের চিত্রাকে দর্শক একভাবে দেখবে, আর গোলাম মামুনের রাহীকে দেখবে আরেকভাবে।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়েছে। যেখানে নির্বাচনের আগে তার মন্তব্য হিসেবে একটি রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই ফটোকার্ডটি ‘পুরোপুরি ভুয়া’ বলে জানিয়েছেন সাবিলা।
এই অভিনেত্রী গতকাল তার ফ্যান পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে জানান, তার নাম জড়িয়ে প্রচারিত কার্ডটি পুরোপুরি ভুয়া। সাবিলা আরও জানান, কোনো বিষয়ে তার ব্যক্তিগত বক্তব্য থাকলে তা কেবলমাত্র দেশের মূলধারার গণমাধ্যমের মাধ্যমেই প্রকাশিত হবে।
একই সঙ্গে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর ছবি ও ভিডিও নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দর্শকদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান সাবিলা নূর। তিনি বলেন, আমাকে জড়িয়ে একটি ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার করা হয়েছে। স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, যদি কখনো আমি কোনো বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিই, তা কেবলমাত্র মূলধারার গণমাধ্যমের মাধ্যমেই প্রকাশিত হবে।
সময়ের আলো/কেএইচও