গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর হেভিওয়েট প্রার্থীর নাম।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জেলা নির্বাচন অফিস বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, মোট বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই বিধানেই জেলার পাঁচটি আসনে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৮ জন প্রার্থীর তাদের জামানত হারাতে হয়েছে।
জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে রমজান আলী (হাতপাখা), পরমানন্দ দাস (কাঁচি), কওছর আজম হান্নু (প্রজাপতি), ছালমা আক্তার (কলস) ও মোস্তফা মহসিনের (ঢেঁকি) জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে জামানত হারিয়েছেন মো. আব্দুর রশীদ সরকার (লাঙল), মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ (হাতপাখা), শাহেদুর জাহান (কলম), মিহির কুমার ঘোষ (কাস্তে) ও আহসানুল হাবীব সাঈদ (কাঁচি)।
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী) আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে মইনুর রাব্বী চৌধুরী (লাঙল), সুরুজ মিয়া (ট্রাক), এটিএম আওলাদ হোসাইন (হাতপাখা), আব্দুল্লাহ আদিল (কাস্তে), মোছাদ্দিকুল ইসলাম (আপেল), মনজুরুল হক (কলম), এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি (ঘোড়া) ও আজিজার রহমান (ঢেঁকি)।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে জামানত হারিয়েছেন কাজী মো. মশিউর রহমান (লাঙল), সৈয়দ তৌহিদুর রহমান তুহিন (হাতপাখা), আতোয়ারুল ইসলাম (কোদাল) ও আব্দুর রউফ আকন্দ (মোটরসাইকেল)।
গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা–ফুলছড়ি) আসনে জামানত হারিয়েছেন শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙল), আজিজুল ইসলাম (হাতপাখা), রাহেলা খাতুন (কাঁচি), শ্রী নিরমল (কাস্তে), মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ (ঘোড়া) ও এ.এইচ.এম গোলাম শহীদ রনজু (মোটরসাইকেল)।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি বিধান অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই নিয়মেই গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি আসনে ২৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
সময়ের আলো/আআ