শয়তান মানুষের প্রকাশ্য দুশমন। মানুষের কর্তব্য তার প্রধান দুশমন থেকে সবসময় সচেতন থাকা। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘নিশ্চয় শয়তানেরা মানুষকে সৎপথ থেকে বিরত রাখে, অথচ মানুষ মনে করে তারা সৎপথে আছে’ (সুরা জুখরুফ : ৩৬-৩৭)।
মানুষকে বিপথগামী করতে ইবলিস শয়তান সদা তৎপর। উল্লিখিত আয়াতে ‘শয়তানেরা’ বলা হয়েছে।
অর্থাৎ তার অনেক অনুচর রয়েছে। আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) উল্লেখ করেছেন, শয়তানের নয়টা শ্রেণি আছে- ১. ‘জালিতুন’ বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। ২. ‘ওয়াসিন’ মানুষদের আকস্মিক বিপদে ফেলার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে। ৩. ‘লাকুস’ অগ্নি পূজারিদের সঙ্গে থাকে। ৪. ‘আওয়ান’ শাসকদের সঙ্গে থাকে। ৫. ‘হাফফাপ’ মদ্যপায়ীদের সঙ্গে থাকে। ৬. ‘মুররাহ’ গান-বাজনাকারীদের সঙ্গে থাকে। ৭. ‘মুসাব্বিত’ বাজে কথাবার্তা সর্বত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত থাকে। ৮. ‘দাসিম’ ঘরের মানুষদের ভালো কাজ থেকে বিরত ও খারাপ কাজের আদেশ দেয়। ৯. ‘ওয়ালহান’ ওজু, নামাজ ও অন্য ইবাদতে কুমন্ত্রণা দেওয়ার কাজে নিয়োজিত রয়েছে (আল মুনাব্বিহাত, পৃষ্ঠা : ৯১)।
আল্লাহ তায়ালা শয়তানের সবরকম শয়তানি থেকে নিজেকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখার তওফিক দান করুন।
সময়ের আলো/এনএ