ভারতে গিয়ে পুলিশি হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও সংগঠনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসান।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নয়াদিল্লি থেকে একটি ফ্লাইটে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে দেশে ফিরেছেন তিনি।
‘বানিয়াচং থানা পুড়িয়েছি, এসআইকে জ্বালিয়েছি’ বলে ওসিকে হুমকি দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদী হাসান ফিনল্যান্ডের ভিসা প্রক্রিয়া সারতে ভারতে গত মঙ্গলবার সেখানকার ভিসা সেন্টারে তার অবস্থানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এরপর দিল্লি বিমানবন্দরে পুলিশ আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বলে অভিযোগ করেন মাহদী। বুধবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
বাংলাদেশে ফেরার আগে ফেইসবুক লাইভে এসে মাহদী দাবি বলেন, আমি দিল্লি বিমানবন্দর থেকে বলছি। আমার সঙ্গে যা ঘটেছে, তা দেশে গিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানাব। এখানে আমাকে প্রায় ৪০ মিনিট পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। আমি আমার দেশের দূতাবাসে কথা বলতে বলেছিলাম। এরপরও আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে। পরে দ্রুত ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে আমাকে দেশে পাঠানো হচ্ছে।
মাহদী হাসানের দেশে ফেরার বিষয়ে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদিয়া আফরিন জানান, বিকেলে তার ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি স্বাভাবিক নিয়মেই বিমানবন্দর ত্যাগ করেছেন।
প্রসঙ্গত, মাহদী হাসান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব। গত ১ জানুয়ারি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানায় এনামুল হাসান নয়ন নামে এক তরুণকে আটক করা হলে তিনি সেখানে যান।
এ সময় ‘থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম’– এমন মন্তব্য করে ওসিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
ওই ঘটনায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তবে আন্দোলনের মুখে ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই তিনি জামিনে মুক্তি পান।
এফআর