টিকেটের চাহিদা নিয়ে ফিফা সভাপতির বাহাস

ক্রীড়া ডেস্ক

খেলা

আসন্ন ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে উত্তর আমেরিকার তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বইছে উন্মাদনার জোয়ার।ফুটবল ইতিহাসের এই মেগা

2026-02-20T23:14:12+00:00
2026-02-20T23:14:12+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
খেলা
টিকেটের চাহিদা নিয়ে ফিফা সভাপতির বাহাস
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৪ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
আসন্ন ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে উত্তর আমেরিকার তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বইছে উন্মাদনার জোয়ার। ফুটবল ইতিহাসের এই মেগা ইভেন্ট শুরুর আগেই টিকেটের আকাশচুম্বী দাম নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হলেও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো শোনালেন এক অবিশ্বাস্য খবর। 

তার দাবি অনুযায়ী আসর শুরুর অনেক আগেই দর্শকদের মাঝে এমন সাড়া দেখা গেছে যা আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি টুর্নামেন্টের ১০৪টি ম্যাচের সব টিকেট এরই মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে বলে তিনি জানান।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো রিসোর্ট থেকে সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো এক চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেন। 

তিনি জানান, মাত্র ৭০ লাখ টিকেটের বিপরীতে গত চার সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ কোটি ৮০ লাখ (৫০৮ মিলিয়ন) আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ সহজভাবে বললে এই আবেদনের সংখ্যা বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যার প্রায় তিন গুণ! 

গত জানুয়ারিতে শুরু হওয়া মূল বিক্রয় পর্বে বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশ থেকে ফুটবলপ্রেমীরা অংশ নিয়েছেন। যদিও বিপুল এই আবেদনের সত্যতা নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের পক্ষ থেকে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।

বিপুল এই আবেদন কি কোনো স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার বা ‘বট’-এর মাধ্যমে করা হয়েছে কি না সমালোচকদের এমন প্রশ্ন নাকচ করে দিয়ে ফিফা জানিয়েছে যে, প্রতিটি আবেদন স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা হয়েছে। 


তবে প্রতিটি ম্যাচে কতটি আবেদন পড়েছে তার বিস্তারিত চিত্র এখনও অস্পষ্ট। পরবর্তীতে ফিফার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সভাপতি মূলত সব টিকেট ‘বিক্রি হয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা’ ব্যক্ত করেছেন। কিছু টিকেট এখনও ১৯ জুলাই পর্যন্ত অর্থাৎ বিশ্বকাপের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিক্রির জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

টিকেটের অতিরিক্ত দাম এবং ডাইনামিক প্রাইসিং পদ্ধতি নিয়ে ফুটবল সমর্থকদের মাঝে অসন্তোষ থাকলেও ইনফান্তিনো একে বাজারের অংশ হিসেবেই দেখছেন। 

তার মতে, উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর বিশেষ বাজার ব্যবস্থার কারণে টিকেটের দাম ওঠানামা করতে পারে এবং সবাই এই বিশেষ আসরের অংশ হতে চায় বলেই এমন চাহিদা তৈরি হয়েছে। প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠেয় এই মেগা ইভেন্ট থেকে ফিফার আয় হতে পারে ১১ বিলিয়ন ডলার বা তারও বেশি, যা বিশ্বের ২১১টি সদস্য দেশের ফুটবল উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।

কেবল ফুটবলই নয়, এই বিশ্বকাপ উত্তর আমেরিকার অর্থনীতিতেও ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। পর্যটন, আতিথেয়তা এবং নিরাপত্তা খাতের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। 

ধারণা করা হচ্ছে, ৭০ লাখ দর্শকের পাশাপাশি এই আসর প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি পর্যটককে আকর্ষণ করবে এবং প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার মানুষের স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

সময়ের আলো/এআর



  বিষয়:   টিকেট  ফিফা সভাপতি  বাহাস 


Loading...
Loading...
খেলা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: