প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম আপডেট: ২৫.০২.২০২৬ ১০:১৭ পিএম
শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন। ছবি : সময়ের আলোটাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় ‘অপচিকিৎসা ও প্রতারণার মাধ্যমে’ পরিকল্পিতভাবে ১৭ হাজার মুরগি মৃত্যুর ঘটনায় ভেটেনারী চিকিৎসক ডা. অদ্বৈত বর্মন ও ডা. মেহেদী হাসানসহ জড়িতদের শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাসাইল বাসস্ট্যান্ড চত্বরে প্রান্তিক খামারি ও গ্রামবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ক্ষতিগ্রস্ত খামারি আলমগীর হোসেন, স্থানীয় বদিউজ্জামান বিদ্যুত, মাছুম রানা ও আব্দুল খালেক প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, আলমগীর হোসেনের খামারে ১৭ হাজার মুরগির ক্ষতির জন্য রেনেটা ফার্মা লিমিটেডের ডা. অদ্বৈত বর্মন এবং অপসোনিন ফার্মা লিমিটেডের ডা. মেহেদী হাসানসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দ্রুত ক্ষতিপূরণ না দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
খামারি আলমগীর হোসেনের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে মাংস উৎপাদনের জন্য তিনি ৫৫ হাজার মুরগি খামারে তোলেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মুরগি বড় করার পরামর্শ নিতে গেলে ডা. অদ্বৈত বর্মন উপস্থিত থেকে ডা. মেহেদী হাসানের মাধ্যমে একটি প্রেসক্রিপশন লিখিয়ে দেন।
পরে রেনেটা ফার্মা লিমিটেডের ভাউচারে চার ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ আলমগীরের খামারে পাঠানো হয়। সেগুলো ১৭ হাজার মুরগির একটি খামারে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে প্রয়োগ করা হলে রাত ৪টার মধ্যেই প্রায় ১২ হাজার মুরগি মারা যায়।
তাৎক্ষণিকভাবে আলমগীর সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও সেলসম্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা মুরগির মৃত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে যাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরবর্তীতে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ওই খামারে থাকা আরও প্রায় ৫ হাজার মুরগি মারা যায়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসকসহ চারজনের বিরুদ্ধে বাসাইল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী খামারি আলমগীর হোসেন। এছাড়া উপজেলা ও জেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয়েও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সময়ের আলো/আরবিএন