মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরবে আবারও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজধানী রিয়াদ ও পাশের শিল্পাঞ্চল আল খারজকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ঘটনাকে ঘিরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা ড্রোনগুলোর মধ্যে অন্তত আটটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে মোট কতটি ড্রোন ছোড়া হয়েছিল কিংবা কোনো স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না- এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস প্রাঙ্গণে দুটি ড্রোন আঘাত হানে বলে জানা যায়। ঘটনাটির পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, সৌদিতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলার ‘কড়া জবাব’ দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তার কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই নতুন করে ড্রোন হামলার ঘটনা সামনে আসে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজধানী রিয়াদ এবং গুরুত্বপূর্ণ উপশহরগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো কৌশলগত বার্তা বহন করে। সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ ড্রোন প্রতিহত করতে পারলেও হামলার পুনরাবৃত্তি নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরব ত্রিমুখী টানাপোড়েন যদি আরও বাড়ে, তবে তা শুধু নিরাপত্তা নয়, জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।
এএডি/