নাটোরের শহরতলীর উলিপুর এলাকায় পৌরসভার ড্রেন তৈরি করা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক মারামারি হয়েছে। এই ঘটনায় নারীসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইফতারের আগ মুহূর্তে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের বাড়ির পাশের রাস্তার ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছিল। ড্রেনটি করার জন্য তারা নিজেদের জমির অংশ ছেড়ে দিয়ে দোকানের সামনে সামান্য সরকারি জায়গা ফাঁকা রাখতে চেয়েছিলেন। পৌরসভা ও ঠিকাদার পক্ষ এতে রাজি থাকলেও প্রতিবেশী ইসমাইল এবং পুলিশ লাইন্স মসজিদের ইমাম ওসমানসহ তাদের পরিবারের অন্তত ১৫ সদস্য মিলে তাতে বাধা দেন। এই নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা দেশি অস্ত্রশস্ত্র ও ভাড়াটে লোকজন নিয়ে হামলা চালায়।
হামলায় ওয়াহেদ মৃধার ছেলে ইয়াকুব ও রেন্টু মৃধা, ইয়াকুব মৃধার স্ত্রী রোজিনা ও মেয়ে ইশা খাতুন, ফরিদ মৃধার ছেলে সোহেল মৃধা, যোহর মৃধার স্ত্রী আছিয়া এবং ফরিদ মৃধার ছোট ছেলে ইমনসহ ৭ জন আহত হন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিবাদীরা আগে থেকেই তাদের সাথে শত্রুতা করে আসছিল। হামলার সময় তারা রড, লাঠি ও হাসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে এবং নারীদের শ্লীলতাহানি ও স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।
এই ঘটনার পর বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে রেন্টু বাদী হয়ে নাটোর থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৪-৫ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।
নাটোর সদর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, মামলার বিষয়টি তারা গুরুত্বের সাথে দেখছেন এবং তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/আরবিএন