ভারতীয় ক্রিকেটে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আসন্ন নামান অ্যাওয়ার্ডসে কর্নেল সি.কে. নাইড়ু আজীবন সম্মাননা পুরস্কার পাচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়, রজার বিনি ও মিথালি রাজ। রবিবার (১৫ মার্চ) দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নামান এওয়ার্ডসে তাদের এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
দ্রাবিড়ের কোচিংয়ে ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। অবসরের পর কোচ হিসেবে অনূর্ধ্ব-১৯ দল, ভারত ‘এ’ ও জাতীয় দলের দায়িত্ব সামলেছেন দ্রাবিড়। বিসিসিআই এক বিবৃতি দিয়েছে, ‘এই বছরের অনুষ্ঠানে রজার বিন্নি ও রাহুল দ্রাবিড়কে ভারতীয় ক্রিকেটে অসাধারণ সেবার স্বীকৃতি দিতে বিসিসিআইয়ের সর্বোচ্চ পুরস্কার কর্নেল সি. কে. নাইড়ু আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করা হবে। এছাড়া নারী ক্রিকেটে একই সম্মানে ভূষিত করা হবে মিতালি রাজকে।’
ভারতের হয়ে দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার কাটিয়েছেন দ্রাবিড়। ৫০৯ আন্তর্জাতিক ম্যাচে তিনি ২৪ হাজারের বেশি রান করেছেন ও ফিল্ডিংয়ে নিয়েছেন ৪০০-রও বেশি ক্যাচ। তার অধিনায়কত্বে ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জেতে ভারত।
ভারতের ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন রজার বিনি। ২৭ টেস্ট ও ৭২টি ওয়ানডে খেলা এই অলরাউন্ডার ওই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন, যা ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে বড় মোড় ঘোরানো মুহূর্ত হয়ে আছে।
পরে তিনি ১৯৮৫ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ অব ক্রিকেটজয়ী দলেও ছিলেন। খেলোয়াড়ি জীবনের পর কোচিং ও প্রশাসনিক দায়িত্বেও কাজ করেছেন বিনি। ২০০০ সালে তার কোচিংয়েই ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতে।
অন্যদিকে নারী ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ভারতের মুখ ছিলেন মিথালি রাজ। ৩৩৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলা এই ব্যাটার নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রথম হিসেবে ১০ হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক রান করেন। তার অধিনায়কত্বেই ভারত দুইবার বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছায়।
২০২৪-২৫ মৌসুমে পুরুষদের সেরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের জন্য পলি উমরিগার পুরস্কার পেয়েছেন শুবমান গিল। নারীদের সেরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হয়েছেন স্মৃতি মান্ধানা। একই সঙ্গে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।
নারীদের ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির পুরস্কার পেয়েছেন দিপ্তি। সেরা আন্তর্জাতিক অভিষেক (নারী) পুরস্কার জিতেছেন শ্রী চারানি। আর পুরুষদের বিভাগে এই সম্মান পেয়েছেন হার্শিত রানা।
/এমএইচআর