কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সুভারকুটি গ্রামে বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াই উদ্বোধন করতে এসে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াইটি স্বচক্ষে দেখতে এসেছি। এরা দুর্যোগ কবলিত সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এটা ভালো কাজ। এজন্য মহৎ কাজটির উদ্বোধন করতে এসেছি।
এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তিস্তা আমার মায়ের মত ছিল, এখন বিধ্বংসী রূপ ধারণ করেছে। নদী শাসন ও মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে তিস্তা নদী শাসন ও মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে দুই কোটি মানুষের জীবন মানের পরিবর্তনের জন্য অল্প সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হবে। ইতোমধ্যে সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা ত্রাণ ও পূনবাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসমাইল হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড ডিরেক্টর জামাল উদ্দিন প্রমুখ।
এদিকে এক লাখ মানুষের ইফতারির জন্য যে কড়াইটি নির্মাণ করা হয়েছে সেই কর্মসূচির প্রধান ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের কমিউনিকেশন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, কড়াইটির ব্যাস ৩১ ফিট ৩ ইঞ্চি, উচ্চতা সাড়ে ৪ ফিট, ওজন ৪ হাজার কেজি। কড়াইয়ের নীচে ২২টি বার্নার রয়েছে। বর্তমানে এটিই বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াই। আমরা গিনেজ বুক অফ ওয়াল্ডে আবেদন করেছি।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড অফ ডিরেক্টর জামাল উদ্দিন জানান, এটি মুলত একসঙ্গে অনেক মানুষের খাওয়ার উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলায় দুর্যোগ ও বন্যা কবলিত হাজার হাজার মানুষ যাতে একসঙ্গে খেতে পারে সেজন্য কড়াইটি নির্মাণ করা হয়। আজ আমরা ২০ হাজার মানুষের জন্য ইফতারির আয়োজন করেছি, যা একশটি মসজিদের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিতদেরকে বিতরণ করা হবে। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট জেলার বড়বাড়ি এলাকায় মন্ত্রীর সঙ্গে ৫ হাজার মানুষ একসঙ্গে ইফতার করবে।
সময়ের আলো/জোই