গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বসতবাড়িতে অবৈধভাবে মজুদ রাখা ৪ হাজার ৩৮৬ কেজি ভিজিএফের চাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনা তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানকে প্রধান করে এ কমিটি করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার দে এবং উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম।
কমিটিকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত রোববার সন্ধ্যায় ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের মো. আবদুল মজিদ মিয়া ওরফে কোনারের বসতবাড়ি থেকে এই চাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া চালগুলো পরে স্থানীয় সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. বিলকিস বেগমের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
ইউএনও আরও বলেন, চালগুলো কোথা থেকে এসেছে, কারা বিক্রি করেছেন— সবই তদন্ত কমিটি পূর্ণাঙ্গভাবে খতিয়ে দেখবে। দোষীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য, ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের মো. আবদুল মজিদ মিয়া ওরফে কোনার (৪২) বসতবাড়িতে ভিজিএফ চাল মজুদ ছিল। তিনি মৃত আব্দুল জলিল মিয়ার ছেলে। গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে উপজেলা প্রশাসন ওই বাড়ি থেকে ভিজিএফ চাল উদ্ধার করে প্রশাসনের হেফাজতে নিয়েছে।
এফআর