ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সারাদেশ

কুড়িগ্রামে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। সরবরাহকৃত জ্বালানি দিয়ে সংকট মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছেন ফিলিং স্টেশনসহ বিক্রয় পয়েন্টগুলো।

2026-03-23T20:02:48+00:00
2026-03-23T20:02:48+00:00
 
  বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
কুড়িগ্রাম
ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:০২ পিএম 
কুড়িগ্রামের ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি। ছবি : সময়ের আলো
কুড়িগ্রামে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। সরবরাহকৃত জ্বালানি দিয়ে সংকট মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছেন ফিলিং স্টেশনসহ বিক্রয় পয়েন্টগুলো। এমন পরিস্থিতিতে মাঠে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন।  

জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে জানা গেছে, জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অনিয়মিত সরবরাহের কারণে জেলার ২০টি ফিলিং স্টেশনের বেশিরভাগে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে সংশ্লিষ্টরা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যানবাহন ব্যবসায়ীরা। আবার সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় যাত্রীসেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে।

Advertisement
জানা যায়, চাহিদা অনুযায়ী ডিলারদের কাছে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় ফিলিং স্টেশনে ডিজেল পাওয়া গেলেও পেট্রোল এবং অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না। জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ওয়েল কোম্পানিগুলো থেকে ঈদের ছুটিতে সরবরাহ সাময়িক বন্ধ থাকার কারণে সংকটের মাত্রা বেড়ে গেছে। 

কুড়িগ্রাম কমলগঞ্জের এসএস ফিলিং স্টেশনের পরিচালক জামান কাজল বলেন, জেলার ২০টি ফিলিং স্টেশনের দৈনিক চাহিদার চারভাগের একভাগও পূরণ হচ্ছে না। এ কারণে জ্বালানি সংকট দূর হচ্ছে না। প্রতিদিনই ক্রেতাদের সঙ্গে পাম্পগুলোতে ঝামেলা তৈরি হচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোসহ স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এদিকে, ফিলিং স্টেশনগুলোতে সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল থেকেই মোটর সাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় পরিমাণ জ্বালানি পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ১০০ টাকা পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে, আবারও সব স্টেশনে তা পাওয়া যাচ্ছে না।


বাইকচালক সাইফুল ইসলাম, রাশেদুল, আকবর আলীসহ অনেকেই বলেন, এখন তেল পাওয়া মানে যুদ্ধ জয় করা। একেকটি ফিলিং স্টেশনে ঘুরে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর পেট্রোল পাওয়া যায়। সেটিও আবার প্রতিদিন পাওয়া যায় না।

সংকটের প্রমাণ মিলে বাস্তবেও। জেলার মাত্র কয়েকটি ফিলিং স্টেশন সীমিত পরিসরে পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রি চালু রাখলেও অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। 

জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ জানান, আমরা তদারকি করছি। এছাড়াও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে মনিটরিং টিম বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন নিয়মিত পরিদর্শন করছেন। সার্বিকভাবে কঠোর নজরদারিতে রয়েছে সব বিক্রয়কেন্দ্র। জ্বালানি সংকট দূর করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। 

এফআর
  বিষয়:   কুড়িগ্রাম  ফিলিং স্টেশন  প্রশাসন  কঠোর  নজরদারি 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: