সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রিপাবলিকান পার্টির একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ইরান সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার প্রস্তাব দিলেও তিনি সবিনয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তার কথায়, ইরান বলেছিল, আমরা আপনাকে আমাদের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা করতে চাই। বললাম না। ধন্যবাদ। আমি এটা চাই না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইযরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির। ইরানের সর্বোচ্চ প্রশাসনে থাকা প্রশাসনিক ও সামরিক নেতাও যুদ্ধে নিহত হন।
কেন তিনি ইরানের প্রস্তাবে রাজি হননি, তার কারণও এসময় ব্যাখ্যা করেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের রাষ্ট্রপ্রধান হতে না পারলে, ওই পদের জন্য কেউই উৎসাহিত হবেন না। ট্রাম্প বোঝাতে চেয়েছেন, সর্বোচ্চ নেতার ক্ষমতা নিরঙ্কুশ নয়। কার্যক্ষেত্রে অবশ্য ইরানের সর্বোচ্চ নেতাই কার্যত তেহরানের সর্বোচ্চ প্রশাসনকে পরিচালনা করে থাকেন।
এর আগে, ট্রাম্পের মুখে একাধিক বার ইরানে ‘দিন বদলের’ কথা শোনা গেছে। আমেরিকা ইরানের গোঁড়া ধর্মীয় শাসনকে উচ্ছেদ করে নতুন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথাও বলেছে। কিন্তু সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার প্রস্তাব সংবলিত ট্রাম্পের দাবি এ ক্ষেত্রে অন্য মাত্রা যোগ করেছে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ইরানের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
প্রসঙ্গত, আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তার পুত্র মোজতবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে বেছে নেয় তেহরান। কিন্তু সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর প্রকাশ্যে আসেননি তিনি। কয়েকটি সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, হামলায় আহত হয়ে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
/ইউএমএইচ