জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নে গরু চুরির সন্দেহকে কেন্দ্র করে গ্রাম্য সালিশে এক ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অপমান সইতে না পেরে অভিযুক্ত যুবকের মা জোসনা বানু (৫০) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার খলিলহাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জোসনা বানু ওই এলাকার সুরুজ্জামানের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ২টার দিকে খলিলহাটা এলাকায় নায়েব আলী নামের এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে গরু চুরির চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পর রাত ৩টার দিকে কেন্দুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য নায়েব আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন প্রতিবেশী সুরুজ্জামানের বাড়িতে গিয়ে তার ছেলে সুজন মিয়াকে চোর সন্দেহে ধরতে যান। তবে সুজনকে বাড়িতে না পেয়ে তারা তার বাবা সুরুজ্জামানকে তুলে নিয়ে যান নায়েব আলীর বাড়িতে।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সেখানে সুরুজ্জামানসহ স্থানীয় তোতা মিয়া ও সোহেল রানাকে চোর সন্দেহে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সালিশ শেষে বাড়ি ফিরে অপমান ও মানসিক চাপে সুরুজ্জামানের স্ত্রী জোসনা বানু নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে ওয়ার্ড সদস্য মো. নায়েব আলী মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাদের শুধু জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।