বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি (বিসিডিএস) গাইবান্ধা জেলা শাখার নির্বাচনের দাবিতে শহরে দোকান বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেছেন ওষুধ ব্যবসায়ীরা।
রোববার (২৯ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় ওষুধের দোকান বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও তাদের স্বজনেরা।
একই দাবিতে বেলা ১১টার দিকে শহরের ডিবি রোডে গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (গানাসাস) সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার বিপুলসংখ্যক ওষুধ ব্যবসায়ী অংশ নেন। মানববন্ধন থেকে দাবি আদায়ে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
এ সময় বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে গাইবান্ধার সব ওষুধের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হবে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জেলা শাখায় সাংগঠনিক অনিয়ম ও বিতর্কিত কমিটি গঠনের অভিযোগ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে তারা আন্দোলনে নেমেছেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষের মাঝে চার দফা দাবি সংবলিত লিফলেটও বিতরণ করা হয়।
লিফলেটে উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— জেলা শাখায় কথিত অবৈধ আহ্বায়ক কমিটির সব কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ ও বাতিল করা, ওই কমিটির সদস্যদের সদস্যপদ আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা, বিভিন্ন জেলায় অবৈধ কমিটি গঠনের সঙ্গে জড়িতদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং প্রশাসনের তদারকিতে দ্রুত সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ওষুধ ব্যবসায়ী আবু সাঈদ শিমুল, শরিফুল কবির রনি, রেজাউল করিম তাজু, জিল্লুর রহমান মাসুম, মো. আলমগীর কবির, রেজা তৌফিকুর রহমান রানা, মো. জাফর ছাদেক, শহিদুর রহমান মিঠু, ফারুক আহম্মেদ বিপ্লব, মো. সেলিম মিয়া, মো. মাহফুজার রহমান, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মো. আমজাদ হোসেনসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, সংগঠনের স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক চর্চা ফিরিয়ে আনতেই তাদের এই আন্দোলন। দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও তারা জানান।
সময়ের আলো/এআর