পশুখাদ্য মিলে অভিযানে তোপের মুখে ম্যাজিস্ট্রেট

নওগাঁ প্রতিনিধি

সারাদেশ

নওগাঁ সদর উপজেলায় পশুখাদ্য উৎপাদন মিলে অভিযান পরিচালনার সময় তোপের মুখে পড়েন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে, এ সময় মিল

2026-04-02T20:10:14+00:00
2026-04-02T20:11:24+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
সারাদেশ
পশুখাদ্য মিলে অভিযানে তোপের মুখে ম্যাজিস্ট্রেট
নওগাঁ প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১০ পিএম  আপডেট: ০২.০৪.২০২৬ ৮:১১ পিএম  (ভিজিট : ৫৫)
সাদ গুড়া ও চালনি মিলে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি : সময়ের আলো
নওগাঁ সদর উপজেলায় পশুখাদ্য উৎপাদন মিলে অভিযান পরিচালনার সময় তোপের মুখে পড়েন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে, এ সময় মিল মালিক ওমর ফারুক (তপন) পশুখাদ্য উৎপাদনের স্বপক্ষে প্রমাণ স্বরূপ কোনো ধরনের লাইসেন্স বা কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হয়।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় সদর উপজেলার রজাকপুর (মল্লিকা ইনের পাশে) এলাকায় সাদ গুড়া ও চালনি মিলে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান।

সদর উপজেলার রজাকপুর (মল্লিকা ইনের পাশে) এলাকায় অভিযানের সময় মিলে গিয়ে দেখা যায়, দুইটি গুদামে ধানের গুড়া (তুষ) স্তূপ করে রাখা ছিলো। সেখানে শ্রমিকরা কাজ করছিল। এ তুষ থেকে পশু তৈরির জন্য বস্তা প্যাকেটজাত করা হচ্ছিল। আশপাশের কাউকে এ কারখানায় প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না। স্থানীয়রা অবগত না-এ মিলে কী করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শেষে জরিমানার ঠিক আগ মুহূর্তে মতিউর মতিন নিজেকে গুড়া চালনি-মালিক সমিতির উপদেষ্টা পরিচয় দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে জরিমানা না করার অনুরোধ করেন। তারা দীর্ঘদিন এভাবেই ব্যবসা করে আসছে বলে জানান। এ বিষয়টি নিয়ে একপ্রকার তর্ক-বিতর্ক হয়। 


শেখ নওশাদ হাসান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় রজাকপুর এলাকায় অনুমোদনবিহীন সাদ গুড়া ও চালনি মিলে পশুখাদ্য উৎপাদন করছিল। অভিযানের সময় তার সত্যতা পাওয়ায় যায়। এ সময় মিল মালিক ওমর ফারুক (তপন) পশুখাদ্য উৎপাদনের জন্য প্রমাণ স্বরূপ কোনো ধরনের লাইসেন্স বা কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ অপরাধে মিল মালিকের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে। আর যে সব মিল এবং মালিক রয়েছেন তারা এখান থেকে যথাযথ শিক্ষা নেবে এবং অনুমোদন নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করবেন।

এ সময় সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম সহ সদর থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ওমর ফারুক বলেন, ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে তিনটি মিল গত প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর ব্যবসা করে আসছি। যেখানে প্রায় ২০ জন নারী-পুরুষ কাজ করেন। সরকারি দফতর থেকে লাইসেন্স নিতে হবে আমার জানা ছিলো না।

নওগাঁ গুড়া চালনি-মালিক মালিক সমিতির উপদেষ্টা মতিউর মতিন বলেন, আমরা যে এলাকায় ব্যবসা করি যা পৌরসভা বা ইউনিয়নের ট্রেড লাইসেন্স আছে। আর এভাবে আমরা গত ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে ৩৬ জন ব্যবসায়ী ব্যবসা করে আসছি। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে লাইসেন্স নিতে হবে এমনটা কোনো দফতর জানায়নি। আজ অভিযানের সময় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলছেন লাইসেন্স করতে হবে। এটা আগে কেনো আমাদের জানানো হলো না? স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করাসহ বিষয়টি দেখবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সময়ের আলো/জোই



  বিষয়:   পশুখাদ্য  মিল  অভিযান  ম্যাজিস্ট্রেট  জরিমানা  নওগাঁ 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: