মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও হরমুজ প্রণালির অস্থিরতার প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় তৈরি হয়েছে বড় ধরনের বিঘ্ন। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। পরিস্থিতির জের ধরে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন) জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ দীর্ঘ ২১ দিন আটকে থাকার পর অবশেষে বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের রাস খাইর বন্দরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করা এই জাহাজের আটকে থাকার ঘটনা দেশের শিপিং খাতে আর্থিক চাপও বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলবাহী ট্যাঙ্কার এমটি নরডিক পোলাক্সের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। এতে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্র ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) কাঁচামাল সরবরাহ ব্যাহত হয়ে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। ফলে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক সংকটের সরাসরি অভিঘাত এখন দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
টানা ২১ দিন আটকা জাহাজটি বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকালে সৌদি রাস খাইয়ের বন্দরে পৌঁছে। বিকালেই সেখানে সারবোঝাই প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর জাহাজটি যাবে দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল অথবা মোজাম্মিকের দিকে। আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে রওনা হবে। বিএসসির এ জাহাজটি ভাড়ায় পরিচালনা করছে বিদেশি একটি প্রতিষ্ঠান। ভাড়া ছাড়া আটকে থাকায় জাহাজটির জন্য প্রতিদিন নাবিকদের বেতন, জ্বালানি তেলসহ একটি নির্ধারিত অর্থ ব্যয় হয়েছে বিএসসির, যা ফিক্সড অপারেটিং কস্ট (এফওসি) নামে পরিচিত। এই খাতে বিপুল অর্থ গচ্চা গেছে বিএসসির।
অপরদিকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলবাহী (ক্রুড) ট্যাঙ্কার এমটি নরডিক পোলাক্সের ভাগ্য ঝুলে আছে। গেল ৩ মার্চ থেকে আটকে আছে সৌদি আরবের রাস্তা নুরা বন্দরে। এই বৃহদাকার ট্যাঙ্কারে এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিকটন ক্রুড আছে। ক্রুড সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় সংকটে পড়েছে দেশের অভ্যন্তর থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উৎস ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)। এই রিফাইনারির বেশিরভাগ স্টোরেজ ট্যাঙ্ক খালি। বৃহস্পতিবার স্টোরেজ ট্যাঙ্কে ক্রুডের পরিমাণ নেমে আসে মাত্র ১৪ হাজার ৫০০ টন। ক্রুড সংকটে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ইআরএল।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বৃহস্পতিবার বিকালে সময়ের আলোকে বলেন, ইরানের কাছে জরুরি ভিত্তিতে ছয়টি জাহাজ ছাড় করার তালিকা দেওয়া হয়েছিল। এসব জাহাজের মধ্যে ‘এমটি জয় যাত্রা’র পাশাপাশি এলএনজিবাহী কিছু ট্যাঙ্কারের নাম ছিল। ছয় জাহাজ ছাড়ের ক্লিয়ারেন্স পাওয়া গেছে। তালিকায় এমটি নরডিক পোলাক্সের নাম দেওয়া হয়নি। কারণ ট্যাঙ্কারটি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘নরডিক আমেরিকা’।
প্রতিষ্ঠানের নামে আমেরিকা থাকলেও এটি আমেরিকান প্রতিষ্ঠান নয়। আমেরিকা শব্দটি থাকার কারণে সতর্কতার অংশ হিসেবে নরডিক পোলাক্সের নাম দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে গত বুধবার নরডিক পোলাক্সের বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেখানে ট্যাঙ্কারটি যে আমেরিকান প্রতিষ্ঠানের নয় তা বলা হয়েছে। চিঠি পৌঁছানো হবে ইরান সরকারের কাছে। ইতিমধ্যে ছয় জাহাজের ব্যাপারে ক্লিয়ারেন্স পাওয়া গেছে। তাই আশা করছি, নরডিক পোলাক্স ট্যাঙ্কারটির ব্যাপারে ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যাবে। এরপরই ট্যাঙ্কারটি রাস্তা নুরা বন্দর ছেড়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দিতে পারবে।
ট্যাঙ্কারটি আসলে কোন দেশের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে এই প্রশ্নে তিনি বলেন, পরিচালক প্রতিষ্ঠান নরডিক আমেরিকা হলেও ট্যাঙ্কারটি কেইমান আইল্যান্ডের পতাকাবাহী। এটি আমেরিকান ফ্ল্যাগ বহন করে না। চিঠিতে মূলত সেই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। যাতে এমটি নরডিক পোলাক্স নিয়ে ইরান সরকার দ্রুত ক্লিয়ারেন্স দেয়।
শিপিং এজেন্ট সংশ্লিষ্টরা জানান, কেইমান দ্বীপপুঞ্জ পশ্চিম ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত। ব্রিটিশ শাসিত অঞ্চলটি তিনটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। কিউবার দক্ষিণে এবং জ্যামাইকার উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত কেইমান দ্বীপপুঞ্জে সহজে ট্যাঙ্কারের রেজিস্ট্রেশন পাওয়া যায়। রেজিস্ট্রেশন ফি কম এবং ট্যাক্স হারও অন্য দেশের মতো নয়। তাই লাইবেরিয়া, কেইমানসহ বিভিন্ন দেশ এবং স্বশাসিত অঞ্চল থেকে ট্যাঙ্কার কিংবা জাহাজের রেজিস্ট্রশন নেওয়া হয়। পরে এসব জাহাজ পরিচালনা করে বিভিন্ন বিদেশি প্রতিষ্ঠান।
২৭৪ মিটার দীর্ঘ এমটি নরডিক পোলাক্সের ড্রাফট (ভেসে থাকা অবস্থায় পানির ওপরের অংশ থেকে নিচ পর্যন্ত) ১৩ মিটার। নির্মাণ করা হয় ২৩ বছর আগে। সেই হিসেবে ট্যাঙ্কারটি পুরোনো। তবে এখনও স্ক্র্যাপের পর্যায়ে পৌঁছেনি। গেল ২৭ মার্চ পর্যন্ত ট্যাঙ্কারটি কাতারের বন্দরের রাস রাফান অ্যাঙ্করেজে ছিল। ১ মার্চ সৌদি আরবের রাস্তা নুরা বন্দরে পৌঁছে। সেখানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) আমদানির ক্রুড ভর্তি করা শুরু হয়। গেল ২ মার্চ আরব লাইট ক্রুড (এএলসি) ভর্তি করা শেষ হয়। গত ৩ মার্চ বাংলাদেশ সময় ভোরে চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে রওনা দেওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু তার আগেই বন্ধ হয়ে যায় হরমুজ প্রণালি। ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করায় দেশটির বিপ্লবী আধা-সামরিক বাহিনী আইআরজিসি এ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। ওই সময় হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে চাওয়া সব ট্যাঙ্কারকে আইআরজিসির পক্ষ থেকে সতর্ক সংকেত দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, প্রণালি পার হতে গেলে হামলা করা হবে। এরপর থেকে হরমুজ অতিক্রম করতে চাওয়া বিপুল ট্যাঙ্কার আটকা পড়েছে। তবে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ট্যাঙ্কার চরম ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিয়েছে। কয়েকটি ট্যাঙ্কার ইরানি হামলার মুখে পড়ে। এমটি বাংলার জয়যাত্রা একবার হরমুজ পাড়ি দিতে চাইলে হুমকির মুখে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছিল।
কতটুকু আছে মজুদ আছে ক্রুড ও পরিশোধিত জ্বালানি তেল : ইআরএলে প্রতিদিন ৪ হাজার মেট্রিকটন ক্রুড পরিশোধন করা হয়। এজন্য প্রতি মাসে দুটি বৃহদাকার অয়েল ট্যাঙ্কারে ২ লাখ টন ক্রুড আমদানি করা হয়। উৎপাদন ও সরবরাহ চেইন নিরবচ্ছিন্ন রাখতে নিয়মিত ক্রুড আমদানি করা হয়। কিন্তু হঠাৎ ইরান যুদ্ধ শুরুর পর সব এলোমেলো হয়ে পড়ে। যুদ্ধের প্রথম দিন থেকে ইআরএল বন্ধের ঝুঁকিতে পড়ে। যুদ্ধ শুরুর দিকে ইআরএলের স্টোরেজ ট্যাঙ্কে এক লাখ টনের কাছাকাছি ক্রুড মজুদ ছিল। ওই সময় প্রতিদিন চার হাজার মেট্রিকটন করে ক্রুড পরিশোধন করা হচ্ছিল।
উৎপাদন করা হয় ডিজেল, পেট্রোল, কেরোসিন, ফার্নেস অয়েলসহ কয়েক ধরনের উপজাত জ্বালানি। কিন্তু ক্রুডের সরবরাহে বিপদের শঙ্কা বুঝতে পেরে ইআরএল কর্তৃপক্ষ পরিশোধনের হার কমিয়ে দেয়। দৈনিক চার হাজার টন ক্রুডের পরিবর্তে তিন হাজার টন করে ক্রুড পরিশোধন করা শুরু হয়। আশা ছিল যুদ্ধ বন্ধ হবে এবং দ্রুত ক্রুডের চালান চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছবে। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ক্রুডের চালান চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেনি। বন্ধের ঝুঁকিতে পড়ে ইআরএল। গেল কয়েক দিন আগে ক্রুডের বর্তমান মজুদ ৩০ হাজার মেট্রিকটনের বেশি থাকার কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। এ বিষয়ে জানতে ফোন করা হলে ইআরএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কেউ কল রিসিভ করেননি।
তবে বৃহস্পতিবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা স্বীকার করেন, ক্রুডের মজুদ মাত্র ১৪ হাজার ৫০০ মেট্রিকটনে নেমে এসেছে। প্রতিদিন এখন তিন হাজার মেট্রিকটন করে ক্রুড পরিশোধন করা হচ্ছে। বর্তমান মজুদ দিয়ে টেনেটুনে ৪/৫ দিন চালানো যাবে।
অর্থাৎ জ্বালানি তেল পরিশোধন করা যাবে। ৭ এপ্রিলের আগেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে ইআরএল। বন্ধ ঠেকানোর মতো বিকল্প কোনো উৎস থেকে দ্রুত ক্রুড পাওয়ার সুযোগ নেই। রাস্তা নুরা বন্দর থেকে এমটি নরডিক পোলাক্স চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে রওনা দিলেও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছতে ১৫ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত সময় লাগবে। অন্য উৎস থেকে অয়েল ট্যাঙ্কার চট্টগ্রাম বন্দরে রওয়ানা দিলেও ২০ এপ্রিলের আগে পৌঁছা সম্ভব নয়। তাই নিশ্চিতভাবে বন্ধ হচ্ছে ইআরএল।
পরিশোধিত জ্বালানি তেলবাহী ট্যাঙ্কার ভিড়ছে : ইআরএলের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল উৎপাদন বন্ধের মুখে পড়লেও ডিজেল, জেট ফুয়েলবাহী ট্যাঙ্কার ভিড়ছে। মঙ্গলবার সকালে ৩০ হাজার টন ডিজেলবাহী একটি ট্যাঙ্কার ভিড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর বহির্নোঙরে। এই ট্যাঙ্কার থেকে ডিজেল খালাস প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরে চলতি মাসেও ডিজেলবাহী আরও কয়েকটি ট্যাঙ্কার ভেড়ার সিডিউল রয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার ঢাকায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, এপ্রিলে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট হবে না। এ সময় তিনি একটি ক্রুডের ট্যাঙ্কার ইরান কর্তৃপক্ষ ছাড় করেছে বলে জানিয়েছেন। সেই ক্রুডের ট্যাঙ্কার কোনটি তা উল্লেখ করেননি।
তবে বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, রাস্তা নুরা বন্দরে ক্রুড লোড করে থাকা ট্যাঙ্কার ছাড় করার কোনো নির্দেশনা এখনও মেলেনি। তবে এই ট্যাঙ্কার ছাড় করার প্রক্রিয়া চলছে।
জ্বালানি বিভাগ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সারা দেশের ডিপোতে ডিজেল মজুদ আছে ১ লাখ ২২ হাজার ৬০০ টন। প্রতিদিন সারা দেশের ডিপো থেকে ১২ হাজার ৫০০ টন থেকে ১২ হাজার ৭০০ টন ডিজেল উত্তোলন করা হচ্ছে, যা ডিজেল বিক্রি হিসেবে বিপিসির নথিতে উল্লেখ থাকে। সেই হিসেবে চাহিদার বিপরীতে ডিজেল মজুদ আছে ১০ দিনের কম। তবে বিপিসি সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরের পথে থাকা ডিজেলবাহী ট্যাঙ্কার ভেড়ার পর মজুদ আরও বাড়বে।
পাম্পে দীর্ঘ যানবাহনের সারি প্রতিদিন : সারা দেশের মতো চট্টগ্রাম নগরী ও আশপাশের উপজেলায় তেল নিতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি চোখে পড়ছে পেট্রোল পাম্পের সামনে। বেশিরভাগ ক্রেতা অকটেন নিতে চান। সেই অকটেন বরাবরের মতো দেওয়া হচ্ছে নিয়ন্ত্রিতভাবে। চট্টগ্রাম নগরীর একটি মাত্র পেট্রোল পাম্প কিউসিতে মোটামুটি চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। নগরীর গণি বেকারি এলাকার এই পাম্পে সারাদিনই যানবাহনের দীর্ঘ সারি চোখে পড়ে। এর মধ্যে বেশিরভাগই মোটরসাইকেল।
এদিকে তেল সংকটের এই সময় বিক্রিতে অনিয়মের ঘটনা উদঘাটন করছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গেল বুধবার চট্টগ্রাম নগরীর কুলগাঁও এলাকায় হাজী এ. ওয়াজেদ অ্যান্ড সন্স নামে একটি ফিলিং স্টেশনকে অনিয়মের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আমিরুল মোস্তফা নয়ন।
ফিলিং স্টেশনটিকে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০(গ) ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে এ অর্থদণ্ড আরোপ ও আদায় করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি বিস্ফোরক লাইসেন্সের ২৫(ক) নম্বর শর্ত ভঙ্গ করে বিক্রয় রশিদের কপি এবং দৈনিক বিক্রয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করেনি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আমিরুল মোস্তফা নয়ন বলেন, মজুদ ও অনিয়ম তদারকির অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত আছে। বুধবার কুলগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে অনিয়ম পাওয়ায় জরিমানা করা হয়েছে। মজুদ ও বিক্রিতে অনিয়ম বন্ধে প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সময়ের আলো/কেএইচও