ক্রিকেট বোর্ডজুড়ে অস্থিরতা, একের পর এক পরিচালকের পদত্যাগ, নির্বাচন নিয়ে তদন্ত- সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তৈরি হয়েছে জটিল পরিস্থিতি। কিন্তু এমন চাপের মাঝেও নিজের অবস্থান থেকে সরছেন না বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বরং পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত দায়িত্বে থাকার ইচ্ছা তার।
গত দুদিনেই চার পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট সাতজন পরিচালক সরে দাঁড়িয়েছেন বোর্ড থেকে। এর মধ্যেই গত অক্টোবরের নির্বাচনে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্ত করে গঠিত কমিটি সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগেও বাড়ছে চাপ।
এমন প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বুলবুল বলেন, আমি আমার চেয়ারেই বসব, এ ছাড়া আমি আর কী করতে পারি? সবার শেষে যদি কেউ যায়, তবে আমিই হব সেই ব্যক্তি। আমার একটি অত্যন্ত নিবেদিত ও সৎ দল রয়েছে, তাদের নিয়ে আমি দেশের ক্রিকেটের সেবা করতে চাই।
নিজের অভিজ্ঞতা ও দায়বদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন তিনি, কেউই অপরিহার্য নয়। আমি আইসিসিতে কাজ করা একমাত্র বাংলাদেশি। আমি বলছি না আমি বিশাল কিছু কিন্তু অভিজ্ঞতার কারণেই আমি এখানে বসেছি। দেশের জন্য সবকিছু ছেড়ে এখানে এসেছি। যদি পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকে, তবে অন্য পথ দেখব কিন্তু আপাতত আমি দেশের পাশেই থাকতে চাই। তদন্ত কমিটির সামনে সরাসরি উপস্থিত না হওয়া নিয়েও কথা বলেন বিসিবি সভাপতি।
তার ভাষায়, সময়ের সমন্বয় না হওয়ায় তিনি উপস্থিত হতে পারেননি, তবে লিখিত জবাব পাঠিয়েছেন। কাউন্সিলর মনোনয়ন নিয়ে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও অস্বীকার করে বুলবুল বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে আমার সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অ্যাড-হক কমিটির মাধ্যমেই কাউন্সিলরদের নাম আসার কথা। যখন আমরা দেখলাম মাত্র ৩টি নাম এসেছে, তখন আমরা জেলা ও বিভাগগুলোকে পুনরায় চিঠি পাঠিয়ে নাম পাঠাতে বলেছিলাম। এই একটি জায়গাতেই আমার সম্পৃক্ততা ছিল।
সময়ের আলো/আআ