একের পর এক সাফল্য বয়ে আনছে দেশের টেবিল টেনিস খেলোয়াড়রা। তবে সাফল্য আনলেও এতদিন খেলোয়াড়দের আফসোস ছিল একজন ভালোমানের বিদেশি কোচের অভাববোধ। সেই আক্ষেপ ঘুচিয়েছে ফেডারেশন। জাপান থেকে দুই বছরের জন্য উড়িয়ে আনা হয়েছে ইউতাকা নাকানোকে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউতাকাকে স্বাগত জানান ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার ওয়াসিফ ফারহান শায়ের।
আসন্ন কমনওয়েলথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ, এশিয়ান গেমস, এশিয়ান যুব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ, সাউথ এশিয়ান জুনিয়র টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ এবং সাউথ এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে জাতীয় র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১৬ জন পুরুষ ও ১৬ জন মহিলা খেলোয়াড়কে এশিয়ান গেমসের সিলেকশন ক্যাম্পে ডাকা হয়েছে।
ইউতাকা নাকানো একজন সাবেক জাপানি টেবিল টেনিস খেলোয়াড়, যিনি পরবর্তীতে কোচিং পেশায় যুক্ত হন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার রয়েছে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। কোচ হিসেবে এটি তার দ্বিতীয়বার বাংলাদেশে আগমন। এর আগে ২০২২ সালে তিনি ল্যাব এইডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ফিউচার স্পোর্টিং ক্লাবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্যামসন দুবিনা টেবিল টেনিস একাডেমিতে কোচ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রধান কোচ হিসেবে তার দায়িত্বের মধ্যে থাকবে জাতীয় সিনিয়র ও যুব দলের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় প্রতিযোগিতায় কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান, খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ এবং নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল।
নতুন কোচ নিয়োগ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এএম মাকসুদ আহমেদ সনেট বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি ইউতাকা নাকানোর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেবিল টেনিস নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সাফল্য আরও বাড়বে।’
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে আলাদাভাবে দল নির্বাচন করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে মহিলা দলের কোচ হিসেবে প্রাক্তন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন সালেহা সেতুকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সময়ের আলো/আআ