ইসলামী ব্যাংক ঘিরে উত্তাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থনীতি

বেসরকারি খাতে দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা এবং গ্রাহকরা রোববার রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের

2026-04-20T05:23:09+00:00
2026-04-20T05:23:09+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
অর্থনীতি
ইসলামী ব্যাংক ঘিরে উত্তাপ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৩ এএম 
মতিঝিলে রোববার ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন প্রতিষ্ঠানটির চাকরিচ্যুতরা। ছবি : সময়ের আলো
বেসরকারি খাতে দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা এবং গ্রাহকরা রোববার রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করেছেন। ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের ব্যানারে কয়েকশ কর্মকর্তা ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সেখানে তারা চাকরি ফিরিয়ে দেওয়াসহ ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের নিয়ন্ত্রণ পুনর্বহালের দাবি জানান।

অপরদিকে দুপুর সাড়ে ১২টায় ইসলামী ব্যাংকের সামনে চাকরিচ্যুতদের ধাওয়া দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে পাল্টা কর্মসূচি পালন করেছে গ্রাহক ও ভুক্তভোগী সমন্বয় পরিষদ। তারা এস আলমের শাস্তির জন্য গ্রেফতারের দাবি জানায়। এতে ব্যাংকটির গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এমনকি কিছু গ্রাহক টাকা উত্তোলন করেন বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

সরেজমিন দেখা যায়, রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে শরিয়াহ পরিচালিত ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কয়েকশ কর্মকর্তা-কর্মচারী মানববন্ধন করেন। 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অন্যায়ভাবে তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে জানান। এ জন্য চাকরিতে তাদের দ্রুত পুনর্বহাল করার দাবি জানান। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে এস আলমের হাতে মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হুমকি দেন। দাবি পূরণ না হলে আগামী ১৫ দিন পর কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। 

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যাংকটির সাবেক কর্মকর্তারা ‘দেশের অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাত ধ্বংসকারী পলাতক মনসুরের বিচার চাই’, ‘রাজনীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে’, ‘আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ ইত্যাদি নানা ধরনের স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

তারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিনা কারণে তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ ছাড়া তারা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ, বর্তমান ব্যবস্থাপনার অনিয়ম এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা আফরাদ হোসেন বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পর আমাকে বিনা কারণে চাকরিচ্যুত করা হয়। আমার একটা অপরাধ আমার বাড়ি পটিয়া। শুধু আমি নই, আমার সঙ্গে পটিয়াবাসী অনেককেই ব্যাংক থেকে তখন চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আমরা আমাদের চাকরিতে পুনর্বহাল চাই। আমাদের একটাই দাবি, আমাদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হোক।’

অপরদিকে ইসলামী ধারার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধনের প্রায় শেষের দিকে দুপুরে একই স্থানে ইসলামী ব্যাংকের ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে আরেকটি গ্রুপ তাদের দাবি নিয়ে মানববন্ধন করে। তাদের একটাই দাবি, ইসলামী ব্যাংকসহ ছয়টি ব্যাংক যাতে পুনরায় এস আলমের হাতে তুলে না দেওয়া হয়। 

ব্যাংক লুটেরা এস আলম ও সব শীর্ষ লুটেরাদের গ্রেফতার এবং দেশীয় সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে। একই সঙ্গে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে হবে। ব্যাংক লুটেরাদের পুনর্বাসনের জন্য ব্যাংক রেজুলেশন আইনে সংযোজিত ১৮/ক ধারা বাতিল করতে হবে, ব্যাংকের সামনে অবৈধভাবে মব সৃষ্টিকারী এস আলমের দোসর, পটিয়া বাহিনীকে পুনরায় সুযোগ দেওয়া হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সরকারকে দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।

ওই মানববন্ধনে মব সৃষ্টিকারী কোনো অবৈধ দখলদার বাহিনীকে ব্যাংকে প্রবেশের সুযোগ দিলে তা বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, ব্যাংকের প্রকৃত মালিক যাদের কাছ থেকে হাসিনার পেটোয়া বাহিনীর মাধ্যমে জোরপূর্বক এস আলম মালিকানা দখল করেছিল, তাদের হাতে অতিসত্তর ব্যাংক ফেরত দিতে হবে।

তারা বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিদেশ থেকে অর্থায়ন করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তারা ব্যাংক রক্ষায় গ্রাহক ও কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করার ঘোষণা দেন। ব্যাংকের খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই গ্রুপের কর্মসূচির কারণে গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। 

মানববন্ধন কর্মসূচির কারণে গ্রাহকরা ব্যাংকে এলেও কেউ কেউ আতঙ্কে লেনদেন করতে পারেনি। ইসলামী ব্যাংক মতিঝিল শাখার গ্রাহক মতিউর রহমান জানান, এসেছিলাম ব্যাংকে কিছু নগদ টাকা তুলতে। কিন্তু মতিঝিল এলাকার পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির কারণে টাকা না তুলেই ফিরে যান তিনি।

আরেকজন গ্রাহক আরেফিন শুভ বলেন, আমি একজন উদ্যোক্তা। ব্যবসায়িক কাজে টাকা তুলতে আসছিলাম। কিন্তু পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির জন্য টাকা তুলতে ভয়ে ছিলাম। আতঙ্কের কারণে টাকা তোলা সম্ভব হয়নি। আর এ ধরনের কর্মসূচি চলতে থাকলে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন করব না। অন্য বিকল্প ব্যাংকে লেনদেন করতে হবে।

জানা গেছে, ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ মার্জার হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের সাবেক মালিকদের পুনরায় ব্যাংকে ফেরার সুযোগ রেখে আইন পাস হওয়ার পর থেকেই চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়ে উঠেছে। তারা বর্তমানে থাকা ব্যাংকের অধিকাংশ শীর্ষ কর্মকর্তাদের এইআই ছবি যুক্ত করে নানাভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।

সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর ব্যাংকপাড়ায় চাকরিচ্যুতদের বিশাল আন্দোলন দেখানোর জন্য গত দুদিন ধরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজনকে ঢাকায় এনে বিভিন্ন হোটেলে রাখা হয়েছিল। শনিবার রাতেও কয়েকশ মাইক্রো বাসে করে তারা ঢাকায় আসেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত পটিয়া এলাকার আল-আমিন জানান, আমরা দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করছিলাম, হঠাৎ শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আমাদের বিনা কারণে চাকরিচ্যুত করেছে। আমাদের চাকরির পুনর্বহাল করতে হবে, আগের মালিক ‘এস আলম’-এর হাতে ব্যাংকের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে। একই সঙ্গে বর্তমান পর্ষদ বাতিল করতে হবে। এই তিনটিই আমাদের মূল দাবি।

সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরামের এক মানববন্ধনে জানানো হয়, এস আলম রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক জবরদখল করে নেয়। এ ব্যাংক থেকে বৈধ মালিকদের ভয় দেখিয়ে বিদায় করে। পাশাপাশি বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদেরও নানাবিধ ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দেয়।

এ ব্যাংককে নিজের কব্জায় নিয়ে তারা ইচ্ছামতো নিয়োগ দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আয় করেছে। আর অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের অপসারণকে কোনোভাবেই মানবাধিকার লঙ্ঘন বলা যাবে না। ৬৩টি জেলার মানুষকে বঞ্চিত করে শুধু পটিয়া এবং চট্টগ্রামের লোকদের রাতের আঁধারে বাক্স বসিয়ে চাকরি দিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছিল।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এস আলম ইসলামী ব্যাংক দখলের পর ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদমর্যাদায় শুধু চট্টগ্রামেরই ৭ হাজার ২২৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫০০ জনের বেশি শুধু পটিয়া উপজেলার।

উল্লেখ্য, অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসব কর্মকর্তার যোগ্যতা ও দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য ব্যাংক ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের (আইবিএ) মাধ্যমে মূল্যায়ন পরীক্ষার আয়োজন করে। সেদিন ওই নিয়োগ প্রাপ্তদের মধ্যে থেকে ৫ হাজার ৩৮৫ জনকে মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে বলা হয়। তবে ব্যাংকের সিদ্ধান্তকে অমান্য করে এদের মধ্যে ৪ হাজার ৯৭১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকের এমডি ফারুক হোসেন খানকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে ব্যাংকের কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের মধ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমনকি সরকারের উচ্চ মহল ও গভর্নরের ইন্ধন ইসলামী ব্যাংকে অস্থিরতার পেছনের জন্য দায়ী এমন দাবি সংশ্লিষ্টদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো আলতাফ হোসেন বলেন, তারা ব্যাংকের দৃষ্টিতে যৌক্তিক কারণে চাকরিচ্যুত। তারা সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইনে সরব। তারা আগের ধারাবাহিকতায়  মাঠে নেমেছে। তারা চাকরি ফেরতের দাবি জানাতে পারে। 

তবে কোনো গ্রুপকে মালিকানা ফেরতের দাবি বা হুমকি দিতে পারে না। কারণ বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারাধীন রয়েছে। আদালতের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করা উচিত। তাদের দীর্ঘদিনের এসব আন্দোলনে ব্যাংকের কোনো ক্ষতি হয়নি। বরং আমানত বেড়েছে। ব্যাংক ঘুরে দাঁড়ানোর পথে। আশা করা যায় তাদের আন্দোলন গ্রাহকের ওপর প্রভাব ফেলবে না।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডকে ধ্বংস করতে পরিকল্পিতভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের সভাপতি নুর নবী মানিক। তিনি বলেন, একটি সুপরিকল্পিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংককে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে ব্যাংকটিকে লুটপাটের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তন আনা হয়। ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যানকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয় এবং একই রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে নতুন পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদন দেওয়া হয়। এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের কিছু শীর্ষ ঋণখেলাপি ও ব্যাংক লুটেরা ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছে। এসব অর্থ পরে বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ওইসব ব্যক্তি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, যা পুরো ব্যাংক খাতের জন্য একটি বড় ধাক্কা।

নুর নবী মানিক আরও বলেন, সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকের সামনে কিছু ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেছে। তার অভিযোগ, এসব ব্যক্তির মধ্যে অনেকেই প্রকৃত ব্যাংক কর্মচারী নন, বরং ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়া হয়েছে এবং পরে তাদের চাকরি নিয়মিত করার প্রক্রিয়ায় তারা বাধা সৃষ্টি করছে। 

যারা প্রয়োজনীয় যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেনি, তাদের পুনর্বহালের কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে যদি ইসলামী ব্যাংকের সামনে এ ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা হয়, তা হলে গ্রাহকরা বসে থাকবে না। তারা শান্তিপূর্ণভাবে পাল্টা কর্মসূচি গ্রহণ করবে এবং প্রয়োজন হলে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

এ সময় তিনি বলেন, ব্যাংক খাতকে লুটেরাদের কবল থেকে মুক্ত না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। এ লক্ষ্যে আগামী ১৫ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ব্যাংকটির সামনে অবস্থান, সারা দেশে জনমত গঠন, লিফলেট বিতরণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার এবং বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন, সমাবেশ ও সেমিনার আয়োজন।


  বিষয়:   ইসলামী ব্যাংক  উত্তাপ 


Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: