ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্যে একটি শব্দ এখন সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে— আর তা হলো ‘আপাতত’। তিনি জানিয়েছেন, আপাতত পরবর্তী দফার আলোচনার কোনো পরিকল্পনা তেহরানের নেই। তবে কূটনীতিকরা মনে করছেন, এই ‘আপাতত’ শব্দের মধ্যেই প্রতিবেশী পাকিস্তানে যাওয়ার একটি ক্ষীণ সম্ভাবনা জিইয়ে রাখা হয়েছে।
তেহরান এখন এক চরম চাপের মুখে। হরমুজ প্রণালীতে সাম্প্রতিক উত্তেজনার আগেই ইরানের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, তাদের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ জারি থাকা পর্যন্ত ইসলামাবাদে আলোচনায় বসার ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি তারা।
বিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ভূত নতুন সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। চলমান সংকটের মধ্যে এই প্রথম ইরানের একটি জাহাজ আটক ও জব্দ করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। ইরান এই ঘটনাকে স্রেফ ‘জলদস্যুতা’ এবং ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, উচ্চপর্যায়ের এই স্পর্শকাতর আলোচনার এজেন্ডা বা আলোচ্যসূচি নিয়ে আশানুরূপ অগ্রগতি না হওয়াও ইরানের অন্যতম উদ্বেগের কারণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেখানে দ্রুত চুক্তি ও শর্তারোপে বিশ্বাসী, সেখানে ইরান সবসময়ই দীর্ঘমেয়াদী দরকষাকষির নীতিতে অটল।
/কহু