হরমুজে ইরানি কার্গো আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জাহাজ আটক ও মার্কিন যুদ্ধজাহাজে তেহরানের পাল্টা ড্রোন হামলার মধ্যেই পাকিস্তানের মাটিতে মার্কিন-ইরান দ্বিতীয় দফা আলোচনার সম্ভাবনা উঁকি

2026-04-21T00:28:54+00:00
2026-04-21T00:28:54+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
হরমুজে ইরানি কার্গো আটক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৮ এএম 
সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জাহাজ আটক ও মার্কিন যুদ্ধজাহাজে তেহরানের পাল্টা ড্রোন হামলার মধ্যেই পাকিস্তানের মাটিতে মার্কিন-ইরান দ্বিতীয় দফা আলোচনার সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলছেন, আজই পাকিস্তানে স্বাক্ষরিত হতে পারে ঐতিহাসিক ইরান চুক্তি। যদিও তেহরান সরকারিভাবে বলছে ‘এই মুহূর্তে কোনো আলোচনা নয়’। 

যুক্তরাষ্ট্রের একগুঁয়েমিতায় ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনা যাচ্ছে না বলেও মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বার্তা দিয়েছেন পাকিস্তানি সেনাপ্রধান। 

তারপরও ইসলামাবাদে ২০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন ও একাধিক মার্কিন সামরিক বিমান অবতরণ ইঙ্গিত দিচ্ছে ভিন্ন কিছুর। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা ও হামলা-পাল্টা হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ তারা কখনোই ছাড়বে না। যুদ্ধবিরতির সময় শেষের পথে, কিন্তু মাঠপর্যায়ের সংঘাত ও কূটনৈতিক অঙ্গনের হঠকারিতা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশকে আরও ঘনকালো মেঘে আচ্ছাদিত করে ফেলেছে। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গতকাল মার্কিন নৌবাহিনী একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে সেটি আটক করার পর ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করছে। তবে তারা বলেছে, ‘জাহাজের ক্রু ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর এই প্রতিশোধ নেওয়া হবে।’

আজই স্বাক্ষরিত হতে পারে ঐতিহাসিক ইরান চুক্তি : আজই পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই ঘোষণা দেন। এর আগে নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া অপর এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ের জন্য ইতিমধ্যে ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন। 

নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করেন। যদি আলোচনায় বড় ধরনের কোনো অগ্রগতি অর্জিত হয়, তবে তিনি নিজেই ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসতে প্রস্তুত। আলোচনার এই পর্যায়ে কোনো পক্ষই লুকোচুরি করছে না বা বিষয়টিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই চুক্তির দিকে এগোচ্ছেন। এই আলোচনার মূল কেন্দ্রে একটিই আপসহীন শর্ত রয়েছে। আর তা হলো, ইরানকে অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ চিরতরে বাদ দিতে হবে।

ট্রাম্পকে অসীম মুনিরের ফোন : ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান অসীম মুনির। সোমবার পাকিস্তানের একটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে শান্তি আলোচনার বিষয়ে টেলিফোনে আলোচনা করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসীম মুনির। এ সময় ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের জারি রাখা অবরোধ শান্তি আলোচনার জন্য বাধা সৃষ্টি করছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। ফোনালাপে ট্রাম্পকে অসীম মুনির বলেন, ‌ইরানি বিভিন্ন বন্দরে মার্কিন অবরোধ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় শান্তি আলোচনা শুরুর ক্ষেত্রে বড় বাধা তৈরি করেছে। ওই সূত্র বলেছে, ট্রাম্প মুনিরকে জানিয়েছেন, তিনি তার এই পরামর্শ বিবেচনা করবেন।

জাহাজ আটক ও ড্রোন হামলা : ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস স্প্রুয়েন্স’ কর্তৃক ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ ‘তুস্কা’ আটকের ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্ক আবারও তলানিতে ঠেকেছে। ভয়েস রেকর্ডিংয়ে মার্কিন বাহিনীকে সতর্ক করতে শোনা যায়, ইঞ্জিনরুম খালি করো, আমরা ধ্বংসাত্মক গুলি চালাতে যাচ্ছি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন, জাহাজটি এখন সম্পূর্ণ মার্কিন হেফাজতে এবং সেটি তল্লাশি করা হচ্ছে।

এর জবাবে ইরানের প্রভাবশালী সামরিক সংস্থা ‘খাতামুল আনবিয়া’ এবং আইআরজিসি (ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী) এই ঘটনাকে ‘সশস্ত্র জলদস্যুতা’ আখ্যা দিয়ে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, এরই প্রতিবাদে ওমান উপসাগরে অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ইরান ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যদিও তাৎক্ষণিক কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে এই পদক্ষেপ স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে তেহরান পিছু হঠতে রাজি নয়।

ইসলামাবাদে ইরানের উপস্থিতি নিয়ে মিশ্র বার্তা : সবচেয়ে নাটকীয় মোড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে পাকিস্তানকে কেন্দ্র করে। একদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করছেন, আজই পাকিস্তানে ঐতিহাসিক ইরান চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, বর্তমানে আমাদের নতুন করে কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই।

ইরানের অনড় অবস্থানের পেছনে যুক্তি হলো, অবরোধ ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। তেহরান মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে বন্দরে নৌ-অবরোধ দিয়ে জাহাজ আটক করছে, অন্যদিকে কূটনীতির নামে ভুল বুঝিয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে ফোনালাপে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সরাসরি অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটনের আচরণে বারবার বিশ্বাসভঙ্গ ও অসৎ উদ্দেশ্য স্পষ্ট।

তবে মাঠপর্যায়ের চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। ইসলামাবাদের রাস্তায় ২০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন, শহরের বড় অংশ লকডাউন এবং গত ৪৮ ঘণ্টায় নুর খান বিমান ঘাঁটিতে ছয়টিরও বেশি মার্কিন সি-১৭ গ্লোবমাস্টার বিমানের অবতরণ। এসব কিছুই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আলোচনার টেবিল প্রস্তুত। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের ‘না’ বলার এই ভঙ্গিটি মূলত দরকষাকষির রণকৌশল। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোহাম্মদ এসলামির মতে, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে এটি খোলার বিনিময়ে ছাড় আদায়ের জন্যই। এটা আলোচনারই অংশ।

যুদ্ধবিরতির আড়ালে অস্ত্রের ঝনঝনানি : দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শেষ হচ্ছে আগামী বুধবার। এই স্বল্প সময়ে ইরান দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়েছে বলে স্বীকার করেছেন আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মৌসাভি। তিনি জানান, যুদ্ধবিরতির এই ফাঁকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার পুনরায় সাজানো ও মজুদ করার গতি যুদ্ধের আগের তুলনায়ও বেড়েছে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ অকপটে বলেছেন, আমরা শত্রুকে বিশ্বাস করি না। যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধের মাত্রা বাড়তে পারে এবং আমরা সেই পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তেহরানের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত অঙ্গীকার হলো পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা যাবে না এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়া হবে না। ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কবে ছাড়বে ইরান? কখনোই না। এটি আমাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকার।

চুক্তি না হলে ফের শুরু হবে যুদ্ধ : তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা বিষয়ক গবেষক মোহাম্মদ এসলামি মনে করেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আসা বিভিন্ন ধরনের সংকেত বা অবস্থানগুলো মোটেও বিভ্রান্তিকর নয়, বরং এগুলো অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান এই প্রণালি বন্ধ করেছে এটি খোলার বিনিময়ে দরকষাকষি করার জন্য, এটি মূলত আলোচনারই একটি রণকৌশল।

ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ আটকের ঘটনায় তেহরানের ‘ভুল হিসাব’ ছিল এমন ধারণা নাকচ করে দিয়ে এসলামি বলেন, ইরানের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বরং আমেরিকানরাই এখন নিজেদের মুখ রক্ষার উপায় খুঁজছে এবং ইরানি জাহাজ আটক করা তারই অংশ। তিনি আরও বলেন, মার্কিন সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোতে আইআরজিসির (ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী) পাল্টা হামলার খবরগুলো থেকে এটিই স্পষ্ট যে ইরান পিছু হঠছে না। যুদ্ধের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই বিশ্লেষক বলেন, এই যুদ্ধ শুরু করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্পষ্ট কৌশল ছিল না। আমি চলমান এই আলোচনা নিয়ে খুব একটা আশাবাদী নই। যদি শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা না হয়, তবে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হবে।

আঞ্চলিক জটিলতা ও অর্থনৈতিক অভিঘাত : এই সংকট শুধু ইরান-যুক্তরাষ্ট্রে সীমাবদ্ধ নেই। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘ইরান যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি...যেকোনো মুহূর্তে বড় কিছু ঘটতে পারে।’ অন্যদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ইসরাইলের সঙ্গে তাদের শান্তি আলোচনা ইরানের সঙ্গে দর-কষাকষির ওপর নির্ভর করবে না। বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও এর প্রভাব সুস্পষ্ট। হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আপাতদৃষ্টিতে জ্বালানির দাম কম থাকলেও এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন যে যুদ্ধ-পূর্ব মূল্যে ফিরতে সময় লাগবে না, বরং তার জ্বালানি সচিবের বক্তব্য ভুল।

বিশেষজ্ঞদের চোখে পরিস্থিতি মূল্যায়ন : বিশেষজ্ঞরা বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনটি বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন। প্রথমত অবস্থানের অস্পষ্টতা ও দ্বিচারিতা। যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার কথা বললেও ইরানি জাহাজ আটক করছে; ইরান আলোচনায় না আসার কথা বললেও তেহরান ঘুরে গেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান। এই ধোঁয়াশা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করছে। 

দ্বিতীয়ত বিস্ফোরণের প্রবল ঝুঁকি। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে এই উত্তেজনা চরম পর্যায়ে। তেহরানের ‘ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পর প্রতিশোধ’ এমন বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, সাময়িক স্থবিরতা কাটলেই বড় সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে। তৃতীয়ত অর্থনৈতিক চাপ। তেলের বাজারের অস্থিরতা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সুখকর নয়। ট্রাম্প প্রশাসন ঘরোয়াভাবে জ্বালানি মূল্য স্থিতিশীল রাখতে চাইলেও হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে তা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
সব মিলিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে আলোচনার টেবিল সাজানো হলেও সেখানে সুর মেলানো কঠিন হবে। ইরান বলছে, আমরা আলোচনা চালিয়ে যাব, তবে রেড লাইন মেনে। আর যুক্তরাষ্ট্র বলছে, চুক্তি না হলে যুদ্ধ ফের শুরু হবে। এই দুই মেরুর টানাপড়েনে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন শুধুই কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী আর কানে ভাসছে ক্ষেপণাস্ত্রের গায়ে হাত বোলানোর শব্দ।


  বিষয়:   যুক্তরাষ্ট্র  ইরান  জাহাজ  মার্কিন  যুদ্ধজাহাজ 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: