ট্রাম্পের অসীম যুদ্ধবিরতি, ইস্পাতকঠিন ইরান

সময়ের আলো ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ক্ষয়িষ্ণু এক যুদ্ধ ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো একটি সম্মানজনক প্রস্থানপথ খুঁজছেন। কিন্তু তেহরানের রহস্যময় ও কঠোর

2026-04-24T02:27:13+00:00
2026-04-24T02:33:52+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
অবরুদ্ধ হরমুজ, দূরে সরছে শান্তি আলোচনা
ট্রাম্পের অসীম যুদ্ধবিরতি, ইস্পাতকঠিন ইরান
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৭ এএম  আপডেট: ২৪.০৪.২০২৬ ২:৩৩ এএম
প্রতীকী ছবি
ক্ষয়িষ্ণু এক যুদ্ধ ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো একটি সম্মানজনক প্রস্থানপথ খুঁজছেন। কিন্তু তেহরানের রহস্যময় ও কঠোর কূটনৈতিক দুর্গ প্রাচীরের কাছে বারবার ধাক্কা খাচ্ছে সেই প্রচেষ্টা। 

একদিকে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বাড়িয়ে দিয়ে সময় কেনার রাজনীতি করছেন, অন্যদিকে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহের প্রবেশদ্বার হরমুজ প্রণালিতে ইরান নিজের অবস্থান আরও কঠোর করেছে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার গন্তব্য এখন এক গাঢ় ধোঁয়াশায় মোড়া, আর এই ধোঁয়াশার কেন্দ্রেই রয়েছে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের অনড় নিয়ন্ত্রণ; যা পুরো বিশ্বঅর্থনীতি জিম্মি করে রেখেছে।

ইরান যুদ্ধ শেষের কোনো সময়সীমা নেই : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কোনো নির্দিষ্ট ‘সময়সীমা’ নেই। একই সঙ্গে এই যুদ্ধে তার নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের কারণে প্রভাবিত হচ্ছে– এমন দাবিও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মঙ্গলবার বিকালে তিনি যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছেন, সেটি বা নতুন কোনো শান্তি আলোচনার বিষয়ে তার ওপর সময়ের কোনো চাপ নেই। যুদ্ধ কবে শেষ হতে পারে– এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, এর কোনো সময়সীমা নেই এবং আমাদের কোনো তাড়াহুড়োও নেই।

এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন যে এই যুদ্ধ চার থেকে ছয় সপ্তাহ স্থায়ী হবে। কিন্তু এখন তা সপ্তম সপ্তাহে গড়িয়েছে। ট্রাম্প আরও বলেন, মানুষ বলছে আমি মধ্যবর্তী নির্বাচনের কারণে দ্রুত যুদ্ধ শেষ করতে চাই, কিন্তু এটি সত্য নয়। তিনি জানান, তার প্রশাসন কেবল মার্কিন জনগণের জন্য একটি ‘ভালো চুক্তি’ নিশ্চিত করতে চায়।

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন ট্রাম্প। তবে এই যুদ্ধবিরতি ঠিক কতদিন স্থায়ী হবে, সে বিষয়ে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ জানাননি। তিনি তেহরানকে আলোচনার জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ইরানি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

হরমুজে ফের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ইরানের : ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বঅর্থনীতির ওপর কেমন প্রভাব পড়ছে তা বোঝার মাপকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন কয়টি জাহাজ পার হচ্ছে, তার ওপর।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রায় আট সপ্তাহ পর গত মঙ্গলবার এই জলপথ দিয়ে মাত্র একটি জাহাজ পার হয়েছে। এরপর বুধবার যখন আরও কিছু জাহাজ পার হওয়ার চেষ্টা করে, তখন ইরান সেখানে দুটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালায়।

তবে জাহাজ ট্র‍্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো ঠিকই এই পথ দিয়ে যাতায়াত করছে। যুদ্ধ শুরুর আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১৩০টি জাহাজ এই প্রণালি পার হতো, সাম্প্রতিক হামলার আগে সেই সংখ্যা প্রতিদিন গড়ে মাত্র আটটিতে নেমে আসে। 

এরপর গত শুক্রবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যখন ঘোষণা দেয় যে এই জলপথ পুরোপুরি উন্মুক্ত, তখন অনেক জাহাজই প্রণালিটি পার হওয়ার উদ্দেশ্যে সেদিকে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু এর কয়েক ঘণ্টা পরই ইরান জানায়, তারা এই প্রণালিতে প্রবেশকারী জাহাজগুলোর ওপর কড়াকড়ি আরোপ করবে। কারণ ওমান উপসাগরে (হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ-পূর্বে) ইরানি জাহাজের ওপর দেওয়া মার্কিন নৌ অবরোধ তখনও প্রত্যাহার করা হয়নি।

ইতিবাচক অগ্রগতির আশায় পাকিস্তান : মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ন্যাটালি বেকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। বৈঠকের পর নাকভি ইরানের কাছ থেকে ইতিবাচক অগ্রগতির আশা প্রকাশ করেছেন। 

বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি আলোচনার দ্বিতীয় দফা সম্পর্কিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হয়। তেহরান তাদের প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়ে নিশ্চিত না করায় এই আলোচনা বিলম্বিত হয়েছিল বলে জানা যায়।

এক বিবৃতিতে নাকভি বলেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে সহায়তা করার জন্য সর্বস্তরের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন এবং তিনি আশা করেন যেসব পক্ষই কূটনীতিকে বেছে নিবে। বিবৃতিতে বলা হয়, ন্যাটালি বেকার শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

মাইন বসানোর নৌযান দেখলেই গুলির নির্দেশ : বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপনকারী কোনো নৌযান দেখলেই গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কথা জানিয়েছেন। 

ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, আমি মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি– হরমুজ প্রণালিতে যারা মাইন বসাচ্ছে, তাদের নৌকা ছোট হলেও যেন গুলি করে ধ্বংস করা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো দ্বিধাবোধ করা হবে না। তিনি দাবি করেন, মার্কিন ‘মাইন সুইপার’ বা মাইন অপসারণকারী জাহাজগুলো বর্তমানে ওই প্রণালি পরিষ্কার করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

উপসাগরীয় অঞ্চল ও হরমুজে অস্থিরতায় দায়ী যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দাবি করেছেন, পারস্য উপসাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বিরাজমান নিরাপত্তাহীনতার মূলে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘আগ্রাসন’। তেহরানে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ দূতের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে জানায় আলজাজিরা। আরাগচি বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি হামলার বিরুদ্ধে ‘স্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান’ নেওয়া এবং তীব্র নিন্দা জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

ইরানের সরকারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টের বরাতে জানানো হয়েছে, আরাগচি বৈঠকে বলেছেন– ইরান নিজেদের নিরাপত্তা ও স্বার্থরক্ষায় আন্তর্জাতিক আইন মেনেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সংঘাতের ফলে সৃষ্ট যেকোনো পরিস্থিতির দায়ভার ‘আক্রমণকারী দেশগুলোকেই’ নিতে হবে। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে ইরান দুটি জাহাজ ‘জব্দ’ করার এবং তৃতীয় একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালানোর খবরের মধ্যেই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য সামনে এল।

ইরান কর্তৃক জাহাজ জব্দের ঘটনা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে দেখেন না ট্রাম্প : ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ জব্দের ঘটনা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট এই ঘটনাকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন মনে করছেন না কারণ জব্দ করা জাহাজগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বা ইসরাইলের ছিল না।

তিনি ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, এগুলো ছিল আন্তর্জাতিক জাহাজ। ইরান এখন জলদস্যুর মতো আচরণ করছে। কারণ তাদের মূল নৌবাহিনীকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছেন। এখন তারা দ্রুতগতির গানবোটের মাধ্যমে দস্যুতা চালাচ্ছে। লেভিট আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নৌ অবরোধ ইরানের ওপর অত্যন্ত কার্যকরভাবে কাজ করছে।

ইরানের ৩ তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটক করল যুক্তরাষ্ট্র : এশিয়ার জলসীমায় ইরানের পতাকাবাহী অন্তত তিনটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটক করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। শিপিং ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বুধবার জানিয়েছে, ট্যাঙ্কারগুলোকে ভারত, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি অবস্থান থেকে সরিয়ে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ইরানের সামুদ্রিক বাণিজ্যের ওপর ওয়াশিংটন কঠোর অবরোধ আরোপ করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। 

অন্যদিকে পারস্য উপসাগরের প্রবেশদ্বার হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে ইরানও বিদেশি জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। গত কয়েক দিনে মার্কিন বাহিনী ইরানের একটি পণ্যবাহী জাহাজ ও একটি তেলের ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে। এর জবাবে ইরানও বুধবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় দুটি কন্টেইনার জাহাজ জব্দ করার দাবি করেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই ইরানের পক্ষ থেকে প্রথম জাহাজ জব্দের ঘটনা।

৩১ জাহাজ ফেরত পাঠানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের : ইরানের বিরুদ্ধে আরোপ করা নৌ অবরোধে ৩১টি জাহাজের দিক বদল করতে বা বন্দরে ফিরতে নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে, এসব নৌযানের বেশিরভাগই জ্বালানি তেলের ট্যাঙ্কার।

সেন্টকম বলেছে, বেশিরভাগ জাহাজ মার্কিন নির্দেশনা মেনে চলাচল করছে। ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধে ১০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, ১৭টি যুদ্ধজাহাজ এবং শতাধিক বিমান অংশ নিয়েছে বলেও জানিয়েছে সেন্টকম।

ইরান যুদ্ধ ইউরোপকে ‘দুর্বল’ করে দিচ্ছে : জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টেইনমায়ারের সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, ইরানে চলমান যুদ্ধ এখন ইউরোপকেও ‘দুর্বল’ করতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, আমাদের অঞ্চলের এই যুদ্ধ ইউরোপকেও ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিচ্ছে, এবং আমরা যদি শান্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা না করি, তা হলে সংঘাতের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি আরও অনেক বেশি ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ল : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে বিরাজমান অনিশ্চয়তার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৪ শতাংশ বেড়েছে। ইরানি বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ বহাল থাকা পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় না খোলার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান।

বৃহস্পতিবার মার্কিন তেলের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৬ দশমিক ৭৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারের তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ দশমিক ৬৩ ডলারে পৌঁছেছে। তবে এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই দাম কিছুটা কমে আসে।

হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা মাইন সরাতে ৬ মাস লাগবে : হরমুজ প্রণালি থেকে সামুদ্রিক মাইনগুলো সরিয়ে নিতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। এই পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিনিধি হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির এক গোপন বৈঠকে প্রতিরক্ষা দফতরের কর্মকর্তারা এই তথ্য তুলে ধরেন। এপি জানিয়েছে, এই অধিবেশন শেষে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মনে ‘সমাধানের চেয়ে প্রশ্নই বেশি তৈরি হয়েছে’।

ইরান যুদ্ধের খরচ, রণকৌশল এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য সম্পর্কে তারা জানতে চাইলেও সেসবের কোনো উত্তর দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া যুদ্ধের শুরুতে ইরানের একটি স্কুলে হামলার বিষয়েও প্রশ্ন তোলা হয়, যেখানে অন্তত ১৬৫ জন নিহত হয়েছিলেন এবং তাদের বেশিরভাগই ছিল অল্পবয়সি স্কুলছাত্রী।

এফআর


  বিষয়:   অবরুদ্ধ  হরমুজ  শান্তি আলোচনা  ট্রাম্পের অসীম যুদ্ধবিরতি ইস্পাতকঠিন ইরান 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: