রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পূর্ণ উৎপাদন শুরু হলে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এই কেন্দ্রটি দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, যা ঈশ্বরদী, পাবনায় পদ্মা নদীর তীরে নির্মিত হয়েছে।
প্রকল্পটিতে দুটি ইউনিট রয়েছে এবং প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট করে। দুটি ইউনিট একসঙ্গে পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
খবরে জানানো হয়েছে, প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে ইতোমধ্যে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রায় ৪৫ দিন সময় লাগবে। এরপর ধাপে ধাপে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ে কেন্দ্রটি থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে।
পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে উৎপাদন বাড়িয়ে পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছালে প্রতিটি ইউনিট থেকে ১,২০০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। এতে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করা সম্ভব হবে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে।
রূপপুর প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণাধীন রয়েছে এবং এতে রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করার পর এখন এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কেন্দ্র চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।
/ইউএমএইচ