শিশু ধর্ষণ মামলায় সৎ মামার যাবজ্জীবন

আদালত প্রতিবেদক

আইন-আদালত

রাজধানীর কদমতলী থানাধীন এলাকায় ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে শিশুর সৎ মামা মো. সোহান আলম তপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন

2026-04-29T19:00:36+00:00
2026-04-29T19:13:02+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
আইন-আদালত
শিশু ধর্ষণ মামলায় সৎ মামার যাবজ্জীবন
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০০ পিএম  আপডেট: ২৯.০৪.২০২৬ ৭:১৩ পিএম
প্রতীকী ছবি
রাজধানীর কদমতলী থানাধীন এলাকায় ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে শিশুর সৎ মামা মো. সোহান আলম তপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেহীন এ রায় ঘোষণা করেন। 

জানা যায়, কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামির তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে শিশুর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নিদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এদিন রায় ঘোষণার সময় আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে পুনরায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, আসামি সোহান আলম বাদীর পূর্ব পরিচিত। সেই পরিচয় ধরে ভিকটিমের পরিবার তাদের আরেক সন্তানের চিকিৎসার জন্য ঢাকার কদমতলী থানাধীন এলাকায় আসামিদের বাসায় ওঠেন। ২০২৩ সালের ৮ মে রাত ৮টার দিকে ভিকটিম শিশু কন্যাকে খাওয়া-দাওয়া করানোর জন্য কদমতলী থানাধীন মাতুয়াইল মা ও শিশু ইনস্টিটিউট সুইপার গলি, ৩য় শ্রেণির টিনশেডের স্টাফ কোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। ওইদিন রাত ২টার দিকে অভিযুক্ত মো. সোহান আলম তপু ভিকটিমকে হাসপাতালে দিয়ে যায়। সকাল বেলা ভিকটিম তার মাকে চোখে ব্যাথা পেয়েছে বলে জানায়। তখন ভিকটিমের মা তার মেয়েকে কখন, কোথায়, কিভাবে ব্যাথা পেয়েছে বলে জিজ্ঞাসা করলে, ভিকটিম জানায়, অভিযুক্ত সোহান আলম তপুর মা অর্থাৎ ভিকটিমের নানী তাকে বাসায় নিয়ে খাওয়া দাওয়া করায় এবং অভিযুক্ত সোহান আলম তপু ‘মজার জিনিস’ খাওয়ানোর কথা বলে ফুসলিয়ে তার শয়ন ঘরের ভেতর নিয়ে যায়। এরপর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর আসামি এই ঘটনার কথা কাউকে বলতে নিষেধ করে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে।

এই ঘটনায় ভিকটিমের নিকটতম আত্মীয় (চাচাতো মামা) মো. সাজ্জাত হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর একই বছরের ১৪ মে আসামিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এরপর থেকে আসামি কারাগারে আটক রয়েছেন। 

জানা গেছে, মামলার তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর কদমতলী থানার এসআই মো. মহসীন চৌধুরী আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। বিচারকালে আদালত ৯ জন সাক্ষীর ও ৪ জনের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। 


  বিষয়:   শিশু  ধর্ষণ  মামলা  যাবজ্জীবন 


Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: