মিনা-মুজদালিফায় হাজিদের সেবায় বিঘ্ন ঘটার শঙ্কায় হাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রবাস

চলতি বছরের হজে মিনা ও মুজদালিফায় অবস্থানকালে হাজিদের সেবা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছে হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হাব। সৌদি সরকারের

2026-05-02T12:24:28+00:00
2026-05-02T12:24:28+00:00
 
  রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬,
১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রবাস
মিনা-মুজদালিফায় হাজিদের সেবায় বিঘ্ন ঘটার শঙ্কায় হাব
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১২:২৪ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
চলতি বছরের হজে মিনা ও মুজদালিফায় অবস্থানকালে হাজিদের সেবা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছে হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হাব। সৌদি সরকারের নতুন অনলাইন বুকিং সিস্টেমের কারণে একই তাঁবুতে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের রাখার ব্যবস্থা করায় হাজিরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা সেবামূলক কার্যক্রমে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

হজের প্রধান আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে জিলহজ মাসে হাজিদের মিনা ও মুজদালিফায় কয়েক দিন অবস্থান করতে হয়। আগে একটি নির্দিষ্ট দেশের হাজিদের জন্য আলাদা তাঁবুর ব্যবস্থা থাকলেও এবার অনলাইন বুকিং পদ্ধতির কারণে এক তাঁবুতেই ভিন্ন ভিন্ন দেশের হাজিদের থাকতে হবে। ফলে একই এজেন্সির হাজিরাও একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন।

হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার দাবি করেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতি হজযাত্রীর জন্য সাড়ে ৩ লাখ টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ পরিশোধে বিলম্ব হয়েছে। সময়মতো টাকা জমা না হওয়ায় সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে দেশের হাজিদের জন্য কাঙ্ক্ষিতভাবে একীভূত তাঁবু বরাদ্দ পাওয়া সম্ভব হয়নি। এই জটিলতার দায় সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, সৌদি সরকারের অনলাইন বুকিং সিস্টেমের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তির কারণে এই নতুন পদ্ধতি থেকে বের হওয়া বেশ কঠিন। হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন জানিয়েছেন, একই জোনে বিভিন্ন দেশের একাধিক তাঁবু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যা সম্পূর্ণভাবে সিস্টেমের ওপর নির্ভরশীল। তবে উদ্ভূত সমস্যা নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে সৌদি কর্তৃপক্ষকে একটি আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) পাঠানো হয়েছে।

এদিকে দেশ থেকে স্বস্তির সঙ্গেই মক্কার উদ্দেশে যাত্রা করছেন হজযাত্রীরা। তারা আশা করছেন, দেশের মতো সৌদি আরবেও উন্নত সেবা পাবেন। বিশেষ করে বাঙালি খাবারের ব্যবস্থা বজায় রাখার বিষয়ে তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, কারণ ভিন্ন খাবারে অসুস্থ হয়ে পড়ার ভয় রয়েছে। হাব সভাপতি মনে করেন, যদি আলাদা রান্না ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিটি দেশের জন্য স্বতন্ত্র সেবা নিশ্চিত করা যায়, তবেই কেবল এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

হজ সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলোতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে হাব। সময়মতো অর্থায়ন ও সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে হাজিদের যেন কোনো ভোগান্তি পোহাতে না হয়, সে বিষয়ে সরকারের বিশেষ নজরদারি কামনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


/কহু


  বিষয়:   মিনা  মুজদালিফা  হাজি  হাব 


Loading...
Loading...
প্রবাস- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: