ভ্রমণ করতে অনেকেই পছন্দ করেন। কিন্তু, দেশের বাইরে ভ্রমণের কথা ভাবলেই বাজেটের চিন্তা মাথায় চলে আসে। তবে, এমন কিছু দেশ আছে, যেখানে পর্যটন ভিসা থেকে শুরু করে ভ্রমণের সমস্ত খরচই সাধ্যের নাগালে। চলুন এমন কয়েকটি দেশের কথা জেনে নেওয়া যাক।
নেপাল
বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর অনেক পর্যটক নেপাল ভ্রমণ করে থাকেন। কারণ, সেখানে ভ্রমণ খরচ যেমন কম, তেমনই ভিসা নিয়ে জটিলতা নেই। অন অ্যারাইভাল ভিসা পাওয়া যায়।
যদি আপনি ১৫ দিনের জন্য ভিসা সংগ্রহ করেন, খরচ পড়বে প্রায় ৩৬০০ টাকা, ৩০ দিনে প্রায় ৬০০০ টাকা এবং ৯০ দিনে প্রায় ১৫,০০০ টাকা। এছাড়া সেখানে সহজে ভিসা বাড়ানোর সুবিধাও রয়েছে।
জর্ডান
জর্ডানে ৩০ দিনের একক প্রবেশ ভিসার খরচ প্রায় ৪০ জর্ডানীয় দিনার, অর্থাৎ প্রায় ৭০০০ টাকা। যারা গোলাপি পাথরের শহর পেত্রা, ডেড সি বা মুন ভ্যালি নামে খ্যাত বিশাল ওয়াদি রুম মরুভূমি দেখতে চান, তারা সহজেই ছুটে যেতে পারেন সেখানে। জর্ডান পাস ব্যবহার করলে অনেক ক্ষেত্রে ভিসার খরচও মওকুফ করা হয়।
কম্বোডিয়া
কম্বোডিয়া সাশ্রয়ী ভিসা সুবিধাসম্পন্ন দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ৩০ দিনের পর্যটক ভিসার খরচ প্রায় ৩৬০০ টাকা, আর সাধারণ ই-ভিসার খরচ প্রায় ৪২০০ টাকা। ভিসার এই সহজলভ্যতার জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই সুন্দর দেশটিতে পর্যটকের আনাগোণাও দিনদিন বেড়েই চলেছে।
তানজানিয়া
তানজানিয়ার পর্যটক ভিসার খরচ প্রায় ৬১০০ টাকা এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেয়। এতে সেরেনগেটি ন্যাশনাল পার্ক, কিলিমাঞ্জারো পর্বত, জাঞ্জিবারের সৈকত কিংবা মসাই গ্রামের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি দেখার সুযোগ মিলবে এক ভিসাতেই।
উগান্ডা
উগান্ডার পর্যটক ভিসার খরচও প্রায় ৬১০০ টাকা এবং তানজানিয়ার মতো এটির মেয়াদও ৯০ দিন। ‘আফ্রিকার মুক্তা’ নামে খ্যাত উগান্ডা তার পর্বত গরিলা, কুইন এলিজাবেথ ন্যাশনাল পার্ক এবং নীলনদের উৎস হিসেবে পরিচিত। বুইন্দি ইমপেনেট্রেবল জাতীয় উদ্যান পর্বত গরিলা দেখার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান।
/মহু