রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘পুঠিয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এ শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। শিক্ষকদের লাগামহীন অনুপস্থিতি, নিয়মিত ক্লাস না হওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের ভেতরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল, আওয়ামী লীগের রাজনীতি চর্চার অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
রোববার (৩ মে) সরেজমিনে দেখা যায়, কলেজ শাখা সম্পূর্ণ শিক্ষকশূন্য এবং মাধ্যমিক শাখায় উপস্থিতিও নগণ্য। এমনকি অধ্যক্ষ গোলাম ফারুককেও তার দফতরে পাওয়া যায়নি।
তদারকি না থাকায় শিক্ষার্থীরা লক্ষ্যহীনভাবে স্কুল প্রাঙ্গণে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত নিবন্ধনহীন প্রভাষক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইসমাইল হোসেনের প্রভাবে প্রতিষ্ঠানে দলীয় রাজনীতির চর্চা চলছে। সাবেক এই আওয়ামী লীগ কাউন্সিলরের দাপটে সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। যদিও ইসমাইল হোসেন বর্তমানে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।
অধ্যক্ষ গোলাম ফারুক, ইসমাইলের ব্যাপারে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে জানান, ওই শিক্ষকের বাড়াবাড়িতে শিক্ষা কর্মকর্তাও অসন্তুষ্ট।
পুঠিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা আখতার জাহান জানান, আগে সতর্ক করা হলেও কোনো পরিবর্তন আসেনি। এবার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান জানান, শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/জয়/জোই