জামিন আদেশে জালিয়াতির দায়ে হাইকোর্টের বেঞ্চ কর্মকর্তা বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন-আদালত

সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) জন্য তৈরি ২০ হাজার পোশাক জব্দের মামলার প্রধান আসামি সাহেদুল ইসলামকে তথ্য গোপন ও

2026-05-04T14:08:51+00:00
2026-05-04T14:09:20+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
আইন-আদালত
জামিন আদেশে জালিয়াতির দায়ে হাইকোর্টের বেঞ্চ কর্মকর্তা বরখাস্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২:০৮ পিএম  আপডেট: ০৪.০৫.২০২৬ ২:০৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) জন্য তৈরি ২০ হাজার পোশাক জব্দের মামলার প্রধান আসামি সাহেদুল ইসলামকে তথ্য গোপন ও আদেশে জালিয়াতির জামিন দেওয়ার অভিযোগে বেঞ্চ অফিসার জাকির হোসেনকে বরখাস্ত করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৪ মে) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্তের পাশাপাশি কারণ দর্শানোর নোটিশও দেয়া হয়েছে।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) অ্যাটর্নি জেনারেল এ জালিয়াতির তথ্য প্রধান বিচারপতির নজরে আনেন। পরে পুরো ঘটনা তদন্তে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন প্রধান বিচারপতি।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের ‘রিংভো অ্যাপারেলস’-এর মালিক সাহেদুল ইসলাম প্রায় সাত মাস আগে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি আব্দুল্লাহ ইউসুফ সুমনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য আসে। ওই সময় ভিন্ন একটি মামলার এজাহার ও তথ্য উপস্থাপন করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা হয়, যেখানে ‘কুকি-চিন’ সংশ্লিষ্ট কোনো অভিযোগ ছিল না। 

সেই ভিত্তিতে আদালত তাকে জামিন দেন এবং বিচারপতিরা আদেশে সই করেন। পরবর্তীকালে মূল জালিয়াতি ঘটে জামিন আদেশে। আদেশের প্রথম পৃষ্ঠায় থাকা মামলার তথ্য, থানার নাম ও অভিযোগের ধারা পরিবর্তন করে সেখানে কুকি-চিনের পোশাক জব্দের মামলার নম্বর ও ধারা বসানো হয়। এই ভুয়া আদেশ দাখিলের মাধ্যমেই কারা কর্তৃপক্ষ সাহেদুলকে মুক্তি দেয়।


চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় ২০২৫ সালের ১৭ মে ‘রিংভো অ্যাপারেলস’-এর গুদাম থেকে কেএনএফের জন্য তৈরি ২০ হাজার ৩০০টি পোশাক জব্দ করা হয়। প্রায় দুই কোটি টাকার বিনিময়ে এসব পোশাকের ক্রয়াদেশ দেয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হলে সাহেদুল ইসলামসহ তিনজনকে আসামি করা হয়। অপর দুই আসামি হলেন: গোলাম আজম (৪১) ও নিয়াজ হায়দার (৩৯)।

ঘটনার পর অ্যাটর্নি জেনারেল বিষয়টি প্রধান বিচারপতির নজরে আনলে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন তদন্ত শুরু করে। আদালত প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বেঞ্চ কর্মকর্তা বা ফৌজদারি শাখার কর্মচারীর যোগসাজশ ছাড়া এত বড় জালিয়াতি সম্ভব নয়।

সময়ের আলো/আআ


  বিষয়:   জামিন জালিয়াতির দায়ে হাইকোর্টের বেঞ্চ কর্মকর্তা বরখাস্ত 


Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: