ঢাকা থেকে কিছুটা দূরে সাভারের বিরুলিয়াতে আমিন মোহাম্মাদ এগ্রো ফার্মে সুনিবিড় পরিচর্যায় প্রস্তুত করা হচ্ছে কোরবানির পশু। আছে তিন ক্যাটাগরির গরু- সিগনেচার, প্রিমিয়াম ও ক্লাসিক। ওজন এবং জাতভেদে ভিন্ন ভিন্ন দাম। এই ফার্মে আছে ২ শতাধিক কোরবানির গরু। আছে উট, মহিষ ও গাড়ল। তবে নানা বৈশিষ্ট্যে আমিন মোহাম্মাদ এগ্রো শুধু ফার্ম নয়, রীতিমতো বিশাল রিসোর্ট।
আমিন মোহাম্মদ এগ্রোর হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড সেলসের জাকারিয়া শান্ত বলেন, সিগনেচার ক্যাটাগরির গরুগুলোর ওজন ৯০০ থেকে ১১০০ কেজি। এগুলোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির গরুর মধ্যে শাহীওয়াল ও দেশাল জাতকে প্রাধান্য দিয়েছে আমিন মোহাম্মাদ এগ্রো। ওজন ৪০০-৬০০ কেজির মধ্যে। ক্লাসিক ক্যাটাগরির গুরুগুলোর ওজন ২৫০ থেকে ৪০০ কেজি। ক্রেতাদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে গায়ের রং বেছে বেছে এসব ক্যাটাগরির বাছুর সংগ্রহ করা হয়।
তিনি বলেন, গরুর পাশাপাশি আমিন মোহাম্মাদ এগ্রো ফার্মে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে মহিষ। বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় অধিকাংশ মহিষ ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। তবে এখনো বেশ কিছু মহিষ বিক্রির জন্য রয়েছে সুনিবিড় পরিচর্যায়।
জাকারিয়া শান্ত আরও বলেন, ১২৬ বিঘা আয়তনের আমিন মোহাম্মদ এগ্রো আসলে খামারের চেয়ে বেশি কিছু। গরু কেনার পাশাপাশি সেখানে প্রকৃতি, প্রাণ আর প্রশান্তির মেলবন্ধন পাওয়া যায়। রয়েছে বিনোদনের ব্যবস্থা। পরিবার নিয়ে পুরো ফার্মে দারুণ সময় কাটানো যাবে। ঘুরে ফিরে দেখার জন্য রয়েছে গাড়ির ব্যবস্থা। বাচ্চাদের জন্য রয়েছে রাইড।
সময়ের আলো/জেডআই