পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। ইনিংসের মূল আকর্ষণ ছিল মুশফিকুর রহিমের ব্যাটিং, তবে জন্মদিনের দিনে সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারেননি তিনি। ১৯৮৭ সালের এই দিনে জন্ম নেওয়া মুশফিকুর রহিম দ্বিতীয় দিনের লাঞ্চ বিরতির সময় ২৯ রান দূরে ছিলেন শতক থেকে। বিরতির পর প্রথম ওভারেই শাহিন শাহ আফ্রিদির ফুল লেন্থ ডেলিভারিতে অফ স্টাম্প হারিয়ে আউট হন তিনি। মুশফিক ১৭৯ বলে ৭১ রান করেন, ৮টি চার মারেন।
এরপর টেলএন্ডারদের ব্যাটিংয়ে আরও ৩৩ রান যোগ করে বাংলাদেশ ৪১৩ রানে ইনিংস শেষ করে। শেষ দিকে এবাদত হোসেন মোহাম্মদ আব্বাসের পঞ্চম শিকার হন। তাসকিন আহমেদ ১৮ বলে ২৮ রানের দ্রুত ইনিংস খেললেও শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন।
মুশফিক দ্বিতীয় দিন শুরু করেছিলেন লিটন দাসকে নিয়ে। আগের দিন তিনি ৪৮ ও লিটন ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। দিনের শুরুতে মুশফিক হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তবে লিটন দাস ব্যক্তিগত ৩৩ রানে আউট হন।
এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ১২ বলে ১০ রান করে দ্রুত বিদায় নেন। তাইজুল ইসলাম ২৩ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলেন।
বাংলাদেশের ইনিংসের ভিত গড়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের ১৭০ রানের জুটি। প্রথমে ৩১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর মাহমুদুল হাসান জয় ৮ ও সাদমান ইসলাম ১৩ রান করে আউট হন।
তৃতীয় উইকেটে শান্ত ও মুমিনুল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ সামাল দেন। শান্ত ৭৪তম টেস্টে নিজের নবম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, তবে এরপর আর ইনিংস বড় করতে পারেননি। মোহাম্মদ আব্বাসের বল খেলতে গিয়ে তিনি এলবিডব্লিউ হন।
অন্যদিকে, মুমিনুল হক ধীরগতির কিন্তু স্থিতিশীল ব্যাটিংয়ে ১০২ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তিনি শেষ পর্যন্ত ৯১ রানের ইনিংস খেলে নোমান আলীর বলে এলবিডব্লিউ হন। তার ইনিংসে ছিল ১২টি চার।
আরবিএন