১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পড়ে বাংলাদেশ। একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন ইনিংস ভেঙে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়, তখন এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকেন লিটন দাস। ধীরে ধীরে সময়কে সঙ্গী করে তিনি গড়ে তোলেন এক দৃঢ় প্রতিরোধ। চাপের মুখেও থেমে যাননি এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত তুলে নেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি।
প্রথম ইনিংসের ৭০.২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২৪৭ রান। ১০৩ রানে অপরাজিত আছেন লিটন দাস। তার সঙ্গে ক্রিজে আছেন শরিফুল ইসলাম।
ইনিংসের শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মুহাম্মদ আব্বাসের করা ইনিংসের প্রথম বলেই বিপদে পড়েন ওপেনার জয়। লেগ স্টাম্পের বাইরে হওয়ায় বেঁচে গেলেও দ্বিতীয় বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফিরে যান তিনি। শুরুর ধাক্কা সামলে মুমিনুল হক ও তানজিদ তামিম জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়ে ৪৪ রানের জুটি গড়লেও তানজিদ ৩৪ বলে ২৬ রান করে আউট হন।
এরপর মুমিনুল হকও থিতু হতে পারেননি। খুররম শাহজাদের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে তার ব্যাট ফাঁকি দিয়ে অফ স্টাম্প ভেঙে যায়। ফলে ৬৩ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
দলের এমন বিপর্যয়ের সময় জুটি গড়েন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। তবে সেট হয়ে গেলেও শান্ত ২৯ রানে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর মুশফিক ৬৪ বলে ২৩ রান করে লেগ বিফোরের শিকার হন। মেহেদী হাসান মিরাজও ব্যর্থ হন, ৪ রান করে ফিরে গেলে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এই অবস্থায় দলের হাল ধরেন লিটন দাস। এক প্রান্ত আগলে রেখে তিনি ইনিংসকে টেনে নিয়ে যান। তাকে কিছুটা সঙ্গ দেন তাইজুল ইসলাম, ৪০ বলে ১৬ রান করেন। পরে তাসকিন আহমেদকে নিয়ে এগোনোর চেষ্টা করলেও তিনিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।
সব চাপ, ভাঙন আর পতনের মাঝেও লিটন দাস একাই লড়াই চালিয়ে যান এবং তুলে নেন টেস্ট ক্রিকেটে নিজের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।
আরবিএন