মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর শেষ হওয়ার পরপরই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বেইজিং সফরের ঘোষণা নতুন করে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই বড় শক্তিধর দেশের শীর্ষ নেতার চীনমুখী এই সফরকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন বিশ্লেষকরা।
শনিবার (১৬ মে) ক্রেমলিন জানায়, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী ১৯ থেকে ২০ মে পর্যন্ত সরকারি সফরে চীন যাবেন। সফরকালে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।
এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন জানায়, দুই দেশের মধ্যে ‘ব্যাপক অংশীদারিত্ব এবং কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার করার’ বিষয়টি সফরের মূল আলোচ্য হবে। এছাড়া বেইজিং সফরে পুতিন চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস জানিয়েছে, ২০০১ সালে স্বাক্ষরিত গুরুত্বপূর্ণ মস্কো-বেইজিং ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা চুক্তি’-র ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায় এক দশক পর চীন সফরে যান। গত ১৩ মে শুরু হওয়া তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে তিনি ১৫ মে দেশে ফিরে যান।
ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে অনুষ্ঠিত এই সফরে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে একাধিক বাণিজ্য চুক্তির কথা সামনে এলেও তাইওয়ান বা ইরান ইস্যুতে বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানা যায়। রাশিয়-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়।
আরবিএন