সারা দিনের ব্যস্ততা, কষ্ট আর ভুল বোঝাবুঝি,এসবের মাঝেই আমাদের জীবন কেটে যায়। মানুষের আচরণে জমে ওঠে অভিমান, রাগ আর ক্ষোভ। কিন্তু এই সাধারণ জীবনের ভিড়েও এমন একটি আমল আছে, যা একজন মানুষকে জান্নাতের সুসংবাদ এনে দিতে পারে।
এই আমলের কারণেই এক সাহাবিকে রাসুল সা. জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। এমনকি তাঁর ব্যাপারে এই সুসংবাদের কথা তিনি তিনবার সাহাবায়ে কেরামকে জানিয়েছেন।
পরে জানা গেল, ওই সাহাবির বিশেষ গুণ ছিল, তিনি প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে সকলকেই ক্ষমা করে দিতেন। কারও প্রতি তাঁর অন্তরে কোনো বিদ্বেষ, হিংসা বা রাগ জমিয়ে রাখতেন না।
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, এই মহৎ গুণই তাঁকে এমন উচ্চ মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছে। অথচ এই গুণ অর্জন করাই আমাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। (আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৮/৭৪)
ক্ষমাশীল ও ধৈর্যবানের প্রশংসায় কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণ করবে ও ক্ষমা করবে, নিঃসন্দেহে এটা বড় সাহসিকতার কাজের হবে।’ (সুরা আশ শুরা, আয়াত: ৪৩)
তাই আসুন, মনের রাগ-ক্ষোভ জমিয়ে না রেখে সবাইকে ক্ষমা করে দিই, ভুলে যাই সব অভিমান। হয়তো এই ছোট্ট অভ্যাসই আমাদের জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়ার পথে নিয়ে যাবে।
/এসএকে