জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার পর থেকে কোরবানি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কোরবানিদাতার জন্য চুল, নখ ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম না কাটা সুন্নত। তাই যারা কোরবানি করার নিয়ত করেছেন, তারা আজ সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার আগেই প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন করে নিতে পারেন।
হাদিসে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা এসেছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন কোরবানি করার ইচ্ছা করে এবং জিলহজের চাঁদ দেখা যায়, তখন সে যেন কোরবানি সম্পন্ন না করা পর্যন্ত তার চুল ও নখ না কাটে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৪৯৫৫)
এ কারণে আলেমরা কোরবানিদাতাদের জিলহজের চাঁদ ওঠার আগেই নখ কাটা, গোঁফ ছাঁটা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এরপর কোরবানি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এসব কাটা থেকে বিরত থাকাকে সুন্নত ও উত্তম আমল হিসেবে গণ্য করা হয়।
তবে এই বিধান মূলত কোরবানিদাতার জন্য। যারা হজ পালন করছেন, তারা ইহরামের আলাদা বিধান অনুযায়ী চলবেন।
অন্য এক হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ব্যক্তিকে বলেন, যদি কুরবানি করার সামর্থ্য না থাকে, তাহলে সে যেন জিলহজের চাঁদ ওঠার আগেই নখ, চুল ও গোঁফ কাটে এবং নাভির নিচের পশম পরিষ্কার করে। আল্লাহর কাছে এটিই তার পূর্ণ কুরবানি হিসেবে গণ্য হবে। আশা করা যায় আল্লাহ তাকে কোরবানির সাওয়াব দেবেন।(ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৭৭৩, ৫৯১৪)
জিলহজের এই বরকতময় দিনগুলোতে কোরবানির পাশাপাশি বেশি বেশি ইবাদত, জিকির ও নফল আমলের প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
/এসএকে