পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে ব্যাট হাতে অনন্য ছিলেন লিটন দাস। প্রথম টেস্টে খুব বেশি সুবিধা করতে না পারলেও দ্বিতীয় টেস্টে তার ব্যাটে ভর করেই জয় পায় বাংলাদেশ। ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে। প্রথম ইনিংসে ১১৪ রানে ৬ উইকেটে হারানোর পর লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে দলকে উদ্ধার করেন। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন তিনি। ৬৯ রানের ইনিংস খেলেন।
তবে উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে যে পারফর্ম দেখিয়েছেন তাতে তিনি নিজেকে বিশ্বসেরাদের কাতারে নিয়ে গেছেন। প্রথম ইনিংস তাসকিনের বলে আব্দুল্লাহ ফজলের যে ক্যাচ বাঁদিক ঝাপিয়ে পড়ে ধরেন সেটা নিয়ে প্রশংসা করেছেন সবাই। আর দ্বিতীয় ইনিংস ভীতি জাগানো বাবর-শান মাসুদের ৯২ রানের জুটি ভাঙে লিটনের কল্যাণে।
তাইজুলে করা ডাউন দা লেগ সাইডে ব্লাইন্ড জোন থেকে বাবরের ক্যাচ অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে নিখুঁত ও সাবলিলভাবে ধরেন লিটন। এই ক্যাচটাই তাকে নিয়ে গেছে বিশ্বসেরার তালিকায়। বিগত কয়েক বছরের পারফরম্যান্স বিবেচনা করলে বিশ্বের সেরা উইকেটরক্ষকের তালিকায় সেরা তিনে জায়গা করে নেবেন লিটন। ২০২২ সালের পর থেকে স্বীকৃত উইকেটরক্ষক ব্যাটারের রান সংগ্রাহকের তালিকায় সেরা তিনে রয়েছেন লিটন দাস।
সময়ের আলো/আআ