ঈদুল আজহার দিনগুলোতে ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব। নামাজ শেষ হওয়ার পর কোনো কথাবার্তা বা নামাজ পরিপন্থী কাজ করার আগেই তাকবিরে তাশরীক পড়তে হবে। পুরুষদের জন্য জোরে আওয়াজে তাকবীর পড়া আবশ্যক। আস্তে পড়লে তাকবীরে তাশরিকের হক যথাযথভাবে আদায় হবে না। তবে মহিলারা নিচু আওয়াজে, অর্থাৎ নিজেরা শুনতে পায় এমনভাবে তাকবির পড়বেন।
তাকবিরে তাশরিক শুধু পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর পড়তে হয়। বিতরের নামাজ কিংবা অন্য কোনো সুন্নত ও নফল নামাজের পর তাকবির পড়ার বিধান নেই। যদি ইমাম তাকবির বলতে ভুলে যান, তাহলে মুক্তাদিরা অপেক্ষা না করে নিজ নিজভাবে তাকবিরে তাশরিক পড়ে নেবেন।
এছাড়া ৯ জিলহজ থেকে ১৩ জিলহজের আসর পর্যন্ত কোনো ফরজ নামাজ কাযা হয়ে গেলে এবং সেই কাযা নামাজ এ সময়ের মধ্যেই আদায় করা হয়, তাহলে ওই কাযা নামাজের পরও তাকবিরে তাশরিক পড়তে হবে।
তাকবিরে তাশরিক-
বাংলা উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর; লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু; ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর; ওয়ালিল্লাহিল হামদ।’
অর্থ: ‘আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; সব প্রশংসা মহান আল্লাহ জন্য।’
তাই কোরবানির ঈদের এই বরকতময় দিনগুলোতে তাকবিরে তাশরিক যথাযথভাবে আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমল।
সূত্র : রদ্দুল মুহতার ২/১৭৮, এলাউস সুনান ৮/১৫২
/এসএকে