সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীর পাঁচ গ্রামের মুসল্লিরা ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন। বুধবার (২৭ মে) সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে এসব গ্রামের বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, বড় পীর হজরত আবু মুহাম্মদ মহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর মতাদর্শ অনুসরণকারী কাদেরিয়া তরিকার অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। প্রায় শতবর্ষ ধরে চলে আসা এ প্রথা অনুযায়ী তারা একদিন আগে রোজা রাখেন এবং ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাও একদিন আগে উদযাপন করেন।
ঈদ উদযাপনকারী গ্রামগুলো হলো, নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর ও হরিণারায়ণপুর, কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের রামভল্লবপুর এবং বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তবাগ ও ফাজিলপুর।
যে-সব মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বসন্তবাগ সিনিয়র মাদরাসা জামে মসজিদ, বসন্তবাগ পোদ্দার বাড়ি জামে মসজিদ, নগর বাড়ির দরজা জামে মসজিদ, ভুঁইয়া বাড়ির দরজা জামে মসজিদ, উত্তর বসন্তবাগ মুন্সি বাড়ি জামে মসজিদ, ফাজিলপুর দায়রা বাড়ি জামে মসজিদ, জিরতলী ইউনিয়নের ফাজিলপুর জামে মসজিদ, রামভল্লবপুর দায়রা শরিফ, হরিণারায়ণপুর রশিদিয়া রহিমিয়া দরবার শরিফ এবং খান্দানে কাদেরী তরিকায়ে আবুল উলাইয়ী গোলামে জাহাঙ্গীরি দায়রা শরিফ।
উত্তর বসন্তবাগ মুন্সি বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. বদরুজ্জামান বলেন, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই রোজা ও ঈদ উদযাপন করা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করছি। দীর্ঘ শত বছর ধরে আমরা এ প্রথা অনুসরণ করে আসছি। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দেশের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করতে পেরে আমরা আনন্দিত।
সময়ের আলো/জোই