আগামী আট বছরের মধ্যে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ক্রিস পেঙ্ক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই পরিকল্পনার কথা জানান। তবে মার্কিন পেন্টাগন প্রধান পিট হগসেথ যখন বৈশ্বিক মিত্রদের প্রতিরক্ষা বাজেট জিডিপির ৩.৫ শতাংশে উন্নীত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন, ঠিক তখনই নিউজিল্যান্ডের পক্ষ থেকে এই ধীর ও নিয়ন্ত্রিত সামরিক বাজেট বৃদ্ধির ঘোষণা এলো।
সিঙ্গাপুরে চলমান এশিয়ার শীর্ষ নিরাপত্তা সম্মেলন ‘শাংরি-লা ডায়ালগ’-এ নিউজিল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ক্রিস পেঙ্ক বলেন, সামরিক খাতে আমাদের ব্যয় আগামী আট বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে এবং স্থিতিশীল উপায়ে জিডিপির ২ শতাংশে নিয়ে যাওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
এদিকে, একই সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে মার্কিন মিত্রদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হগসেথ। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ওয়াশিংটন ভবিষ্যতে কেবল সেই সমস্ত ‘আদর্শ মিত্র’ দেশগুলোকেই অগ্রাধিকার দেবে, যারা তাদের জিডিপির অন্তত ৩.৫ শতাংশ সামরিক খাতে বরাদ্দ রাখবে। মার্কিন করদাতাদের টাকায় অন্য দেশের নিরাপত্তার ‘ফ্রি-রাইডিং’ বা নিখরচায় সুবিধা নেওয়ার দিন শেষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা এই শর্ত পূরণ করবে, তাদেরই অস্ত্র ক্রয় ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
চলমান ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে পেন্টাগন প্রধান আরও জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধকালীন চাহিদা বিবেচনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছরে সামরিক খাতে ১.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি ‘প্রজন্মব্যাপী বিশাল বিনিয়োগ’ করতে যাচ্ছে।
/কহু