ঝিনাইদহের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতটির নাম ‘জাতীয়তাবাদী আদালত’ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা। এনসিপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের অন্যায়ভাবে আটক রাখা এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার করে দ্রুত মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের ফ্যামিলিজোন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে তারেক রেজা অভিযোগ করে বলেন, ‘ঝিনাইদহে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ইচ্ছার বাইরে কোনো মামলার বিচার হচ্ছে না।’ তার দাবি, স্থানীয়ভাবে বিচারিক কার্যক্রমে রাজনৈতিক প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন মামলার ক্ষেত্রে বিএনপির চাহিদা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের আইন মন্ত্রণালয় থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়, বিচারকরা অনেক ক্ষেত্রে সেটির ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত দেন। সেখান থেকে যদি জামিন দেওয়ার নির্দেশ আসে, তাহলে জামিন দেওয়া হয়। যদি কাউকে আটকে রাখার নির্দেশ আসে, তাহলে তাকে আটক রাখা হয়।’
তারেক রেজা দাবি করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপও কামনা করেন তিনি।
তিনি জানান, গত ২২ মে ঝিনাইদহ কালেক্টরেট জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বের হওয়ার সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলায় অনিয়ম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। তার দাবি, এসব মামলায় এনসিপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের অন্যায়ভাবে আটক রাখা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার করে দ্রুত মুক্তি দিতে হবে।
এ সময় এনসিপির জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
/মহু