ঈদের ছুটি শেষে পোশাক কারখানা খোলার আগে যানবাহনের চাপের মধ্যে যমুনা সেতুতে একদিনে ছোট-বড় ২৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ছয়টি দুর্ঘটনার পর উদ্ধার কাজে রেকার ব্যবহার করতে হয়েছে। কখনো সেতুর দুই লেন, কখনো এক লেন বন্ধ রাখতে হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সেতুর দুই পাড়েই।
সব মিলিয়ে শুক্রবার (৫ জুন) সকাল থেকেই সেতুর পশ্চিমপাড় সিরাজগঞ্জ অংশে যানজট ও দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে মানুষকে। বিকেলের পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও সবশেষ রাত ৯টার দিকে যমুনা সেতুর ওপরে দুই বাসের সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড়ে আবারও প্রায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। এরপর শনিবার (৬ জুন) সকালে সেই যানজটের রেশ রয়ে গিয়ে ৫ কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজট রয়ে যায়, যা আজ বেলা প্রায় সাড়ে ১১টা পর্যন্ত থাকে। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে বর্তমানে ফাঁকা রয়েছে।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, দুদিনের যানজটে ব্যাপক ভোগান্তি হয়েছে। পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। এখন মহাসড়কে যান চলাচল একদম স্বাভাবিক রয়েছে।
সময়ের আলো/জোই