নীলফামারীর ডোমারে দীর্ঘ ও অনিয়মিত লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নিরাপত্তা চেয়ে থানায় লিখিত আবেদন করেছে নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডোমার জোনাল অফিস।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ। এর আগে গত রোববার ডোমার জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এ.কে.এম. আলাউদ্দিনের স্বাক্ষরে থানায় আবেদনটি দেওয়া হয়।
লিখিত আবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের ঘাটতির কারণে বরাদ্দ অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হচ্ছে। ফলে গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় গ্রাহকদের দুর্ভোগ বাড়ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ ও অনিয়মিত লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। এ কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্র, উপকেন্দ্র ও অভিযোগ কেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথা আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডোমার পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের আওতাধীন ডোমার জোনাল অফিস, উপকেন্দ্র-১ (আন্ধারুর মোড়) এবং চিলাহাটি অভিযোগ কেন্দ্রে রাতের বেলায় সার্বক্ষণিক পুলিশ টহল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য থানার কাছে অনুরোধ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের নিরাপত্তার জন্য সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের নিয়মিত টহলও অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ স্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি। পরিস্থিতি যাতে কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলার অবনতির দিকে না যায়, সে জন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সময়ের আলো/এসএকে