জলাতঙ্কের টিকার জন্য টাকা দাবি, রোগীকে আটকে রাখার অভিযোগ

কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা (ভ্যাকসিন) প্রয়োগের নামে টাকা দাবি এবং টাকা না পেয়ে রোগীকে আটকে রাখার

2026-06-06T22:16:36+00:00
2026-06-06T22:16:36+00:00
 
  রবিবার, ৭ জুন ২০২৬,
২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
সারাদেশ
জলাতঙ্কের টিকার জন্য টাকা দাবি, রোগীকে আটকে রাখার অভিযোগ
কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১০:১৬ পিএম   (ভিজিট : ১৮)
নার্স মোর্শেদা আক্তার। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা (ভ্যাকসিন) প্রয়োগের নামে টাকা দাবি এবং টাকা না পেয়ে রোগীকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক নার্সের বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের পর সংশ্লিষ্ট নার্সকে শোকজ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিশারাবাড়ি এলাকার দুই শিশু- আব্দুল্লাহ (৪) ও খাদিজা (৩) বিড়ালের কামড়ে আহত হলে শুক্রবার (৫ জুন) রাতে তাদের চাচা সাব্বির কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা প্রয়োগের সময় দায়িত্বরত নার্স মোর্শেদা আক্তার দুই শিশুর জন্য ২০০ টাকা দাবি করেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নার্স তাদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে রোগীদের আটকে রাখার চেষ্টা করেন। এতে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নার্স রোগীর স্বজনদের উদ্দেশে বলছেন, ১০০ টাকা কি আপনার জন্য বেশি হয়ে যায়? আপনি দেন দেন বলছেন, আমি তো ভাবছি আপনি টাকা দেবেন। কিন্তু কেন আপনি টাকা দিচ্ছেন না?

ভুক্তভোগী শিশুদের চাচা সাব্বির বলেন, ভাতিজা ও ভাতিজিকে বিড়াল কামড় দিলে রাতে হাসপাতালে নিয়ে যাই। শুরুতে টিকা দিতে কিছুটা অনীহা ছিল। পরে অনুরোধ করার পর টিকা দেওয়া হয়। টিকা দেওয়ার পরই তিনি টাকা দাবি করেন। আমরা টাকা দিতে রাজি না হলে তিনি বিভিন্ন ধরনের কথা বলেন এবং এক পর্যায়ে বলেন, ‘আমি এখান থেকে চলে যাব, স্যারকে বলেন আমাকে বদলি করে দিতে।’


ঘটনার পর সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে বা নির্ধারিত নিয়মে সেবা প্রদানের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের মতে, জরুরি চিকিৎসাসেবায় অর্থ দাবি করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

অভিযুক্ত নার্স মোর্শেদা আক্তারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীর কাছ থেকে কোনো ধরনের টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট নার্সকে শোকজ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বা বদলির সুপারিশ করা হবে।

সময়ের আলো/জেডআই


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: