ফরিদপুরের ভাঙ্গায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে কনে পক্ষ ও স্থানীয় গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (৮ জুন) বিকেলে ভাঙ্গা উপজেলার দেওড়া পশ্চিমপাড়া বটতলা গ্রামের বাসিন্দা লাবলু শেখের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে সোহরাব মাতুব্বর ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগমকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরিফ মাতুব্বর নামের এক ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে বরযাত্রী আসার আগে স্থানীয় নিমন্ত্রিত অতিথিদের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছিল। এ সময় টেবিল থেকে মাংসের একটি ডিশ লুকিয়ে রাখাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যুবকের সাথে কনে পক্ষের আপ্যায়নকারী দলের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নিলে লাঠিসোঁটা ও থালা-বাসন নিয়ে দুই পক্ষ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হয়। এতে অনুষ্ঠানস্থলের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর হয় এবং বরপক্ষের জন্য তৈরি খাবার নষ্ট হয়ে যায়।
কনের বাবা লাভলু শেখ অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় সামাজিক গ্রুপিংয়ের জেরে পরিকল্পিতভাবে তার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে এই হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা বিয়েতে উপহার বাবদ আদায়কৃত নগদ প্রায় ২ লাখ টাকা এবং ডেকোরেটরের বিভিন্ন সরঞ্জাম লুটপাট ও ভাঙচুর করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান জানান, বিয়ে বাড়িতে খাবার খাওয়া নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মীমাংসা করা হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে পুলিশ দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সময়ের আলো/টিএইচ