পাবনা শহরে নিজের সন্তানকে মাদ্রাসায় পৌঁছে দিতে এসে নিষিদ্ধ চরমপন্থী দলের সদস্য আলী হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে নিহতের স্ত্রী আফসানা খাতুন বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) রেজিনুর রহমান জানান, বিকেলের শেষ ভাগে নিহতের স্ত্রী ৯ জনকে নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার জমা দিয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী রহস্য রয়েছে এবং কারা এর সাথে জড়িত, তা উদঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন কয়েকজনের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে, তাদের দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে। এছাড়া পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যার দিকে আলী হোসেন তার ছেলেকে পাবনা শহরের জামেয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় নিয়ে আসেন। মাদ্রাসার প্রধান ফটকের সামনে রিকশা থেকে নামার সময় ছেলের চোখের সামনেই ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে দুটি মোটরসাইকেলে চড়ে চারজন অল্পবয়সী তরুণ এসে পেছন থেকে আলী হোসেনকে গুলি করে মুহূর্তের মধ্যে পালিয়ে যায়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর থানায় মামলাটি রুজু হলো।
সময়ের আলো/জেডি